ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত ফুটপাত ভাড়া ও বিক্রেতাদের তালিকা দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী দুই মাসের মধ্যে সিটি করপোরেশন ও রাজউককে এ প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কাজী ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এ ছাড়া ঢাকার ফুটপাত বিক্রি ও ভাড়া দেওয়া বন্ধ সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং তা বন্ধে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছেন আদালত। সংশ্লিষ্টদের আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রাজধানীর মূল ফুটপাত দখল করে যেন কোন স্থায়ী বা অস্থায়ী দোকান ও স্থাপনা আর বসতে না পারে সে জন্য ৭ দিনের মধ্যে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতেও নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ঢাকার দুই সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক), ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণের ২ যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক), ঢাকার জেলা প্রশাসকসহ রাজধানীর ১৫টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তিনি বলেন, ফুটপাত দখল করে রাখায় সাধারণ মানুষ মূল সড়ক দিয়ে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছে। এর ফলে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট এবং মাঝে মাঝেই হচ্ছে দুর্ঘটনা। ফুটপাত মুক্ত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে না বলে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তি শিকার হচ্ছে।
রিটে বিবাদী করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রসচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, ঢাকার দুই মেয়র, রাজউক চেয়ারম্যান, দুই সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, ঢাকার জেলা প্রশাসক ও রাজধানীর ১৫ থানার ওসিসহ মোট ২৯ জনকে।