জাতীয় ভোক্তা অধিকার রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান বলেছেন, ‘দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে দুর্ভিক্ষের প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। সরকারের টিসিবির মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে যে কার্যক্রম, তা যথেষ্ট নয়।’ জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে আজ বুধবার সকালে ভোক্তা অধিকার আন্দোলনের এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
ভোক্তা অধিকার আন্দোলনের সভাপতি বলেন, ‘টিসিবির ট্রাকের অপেক্ষায় গভীর রাত থেকে সাধারণ জনগোষ্ঠী লাইন ধরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকে। তা ছাড়া টিসিবির পণ্যের দামও জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। কৃষক ঠকে মাঠে, আর ভোক্তারা ঠকে হাটে, এ যেন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।’
আতা উল্লাহ খান বলেন, ‘কতিপয় মন্ত্রীর দায়িত্বহীন অতিকথন দ্রব্যমূল্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আজ জাতীয় সংসদে, মন্ত্রণালয়ে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, মেয়রসহ গুরুত্বপূর্ণ সব পদেই ব্যবসায়ীদের জয়জয়কার। নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কবল হতে ভোক্তাদের রক্ষায় গণবিস্ফোরণ সামাল দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।’
মানববন্ধনের বক্তারা বলেন, করোনাকালীন শ্রমিকদের বেতন কমানো হচ্ছে। নিরুপায় হয়ে মানুষ গ্রামে চলে যাচ্ছে। বিভিন্ন কলকারখানা এখনো বন্ধ রয়েছে। মানুষ অসহায় জীবনযাপন করছে। এমন সময় সকল প্রকার ভোগ্যপণ্যের লাগামহীন দামে ভোক্তাদের নাভিশ্বাস উঠেছে।
এমতাবস্থায় ভোক্তা অধিকার রক্ষা আন্দোলন সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছে।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক সমিতির চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ জাতীয় লীগের সভাপতি ড. শাহরিয়ার ইফতেখার ফুয়াদ, বাংলাদেশ কর্মসংস্থান আন্দোলনের চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।