হোম > সারা দেশ > ঢাকা

ধর্ষণ মামলার বাদীসহ এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে মাদ্রাসায় ভাঙচুর-লুটপাটের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার

প্রতীকী ছবি

ঢাকার সাভারে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার বাদীসহ এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল বারীর ছেলে মো. উমায়ের বাদী হয়ে গত শনিবার রাতে সাভার থানায় এ মামলা করেন।

মাদ্রাসার পরিচালক আব্দুল বারীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং তাঁর স্ত্রী ছালেমা তোহফার বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে মামলা হওয়ার দুই দিন পর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে নতুন মামলাটি করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাভার থানার ছোট কালিয়াকৈর এলাকায় ‘তোহফাতুল জান্না’ নামে একটি মহিলা মাদ্রাসা রয়েছে। গত বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে ওই মাদ্রাসার এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ছাত্রীর দাদা গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সাভার থানায় মামলা করেন।

ধর্ষণ মামলার এজাহারে বলা হয়, মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে নারী শিক্ষার্থীরা থাকে। ওই ছাত্রীও সেখানে থাকত। পাশের ফ্ল্যাটে থাকেন মাদ্রাসার পরিচালক আব্দুল বারী ও তাঁর স্ত্রী ছালেমা তোহফা।

এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকাল ১০টার দিকে শিশুটি মাদ্রাসার নিচতলায় গেলে আব্দুল বারী তাকে একা পেয়ে একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানার পর তাঁর স্ত্রী ছালেমা তোহফা প্রতিবাদ না করে শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখান, যাতে সে ঘটনা প্রকাশ না করে।

পুলিশ জানায়, পরে শিশুটি কৌশলে মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে ঘটনা জানায়। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন মাদ্রাসায় গিয়ে ছালেমা তোহফাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। এর আগেই আব্দুল বারী পালিয়ে যান। এ সময় উত্তেজিত লোকজন মাদ্রাসায় ভাঙচুর করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ধর্ষণের ঘটনার দুই দিন পর মূল অভিযুক্ত মাদ্রাসার পরিচালক আব্দুল বারীর ছেলে মো. উমায়ের বাদী হয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ এনে গতকাল শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে সাভার থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ধর্ষণ মামলার বাদীসহ ছয় জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে ।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, পূর্বশত্রুতার জেরে আসামিরা মাদ্রাসার কার্যালয় ও ভেতরে থাকা তাঁদের বাসায় ভাঙচুর করেন। এ সময় নগদ ৪৭ লাখ টাকা ও ২৩ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় তারা।

মামলার বাদী মো. উমায়ের জানান, তাঁর বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়। জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তবে স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, মাদ্রাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগকে সাজানো ঘটনা বলে মনে করেন না তাঁরা।

তাঁদের ভাষ্য, ওই অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরেই মাদ্রাসায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। তবে লুটপাটের অভিযোগ তাঁরা অস্বীকার করেন।

ধর্ষণ মামলার বাদী বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্যই প্রভাবশালীদের সহায়তায় আমার ও গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।’

সাভার থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মোহাম্মদ আব্দুস ছবুর বলেন, ধর্ষণের ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত লোকজন মাদ্রাসার ভেতরে গিয়ে ভাঙচুর করেন। তবে সেখানে লুটপাট হয়েছে কি না, তা তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়।

সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অযথা কাউকে হয়রানি করা হবে না।

হত্যাচেষ্টা মামলায় ফের ২ দিনের রিমান্ডে দিলীপ কুমার আগারওয়ালা

একটা স্নাইপারের অভাব ছিল—মন্তব্য করা সেই যুবক ৭ দিনের রিমান্ডে

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি

কেরানীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার ৭ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

ইতিহাসে এবারই প্রথম নিরাপদে দুর্গাপূজা সম্পন্ন, সরকারকে ধন্যবাদ: পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্ট

গত ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে ৫৯৮ জন গ্রেপ্তার, মামলা ৪১

হত্যার হুমকির পর এজেআর কুরিয়ারের স্টোররুমে আগুন দেওয়ার চেষ্টা

এনইআইআর কার্যকরের পরিকল্পনা: ব্যবহৃত মোবাইল আমদানির সুযোগ চান ব্যবসায়ীরা

সৌদিতে ১৪৪ ফ্লাইট প্রভাবিত, ভোগান্তিতে ২২ হাজারের বেশি যাত্রী

বিএমইউ হাসপাতালের জানালা দিয়ে পড়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু