হোম > সারা দেশ > টাঙ্গাইল

আবদার করে চাচার ট্রাক্টরে বসে লাশ হয়ে ফিরল শিশু

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

এগারো বছরের ভাতিজার আবদার পূরণ করতে নিজের ট্রাক্টরে বসান চাচা। অজান্তেই নিচে পড়ে ট্রাক্টরের ফলায় মুহূর্তেই টুকরো টুকরো হয়ে যায় ভাতিজা। চাচা আলহাজ জমির অপর প্রান্ত ঘুরে আসার সময় মানুষের শরীরের টুকরো দেখে ট্রাক্টর থামিয়ে দেখেন ভাতিজার শরীর ছিন্ন ভিন্ন হয়ে পড়ে রয়েছে। 

আজ রোববার দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের চাপাইদ গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম ইমন। সে ওই গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। 

পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, পৌরশহরের বিপ্রবাড়ী গ্রামের আলহাজ মিয়া ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি ভাড়া করা ট্রাক্টর নিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন গ্রামের কৃষকদের জমি চাষ করে দেন। ভাতিজা ইমনের আবদার মেটাতে রোববার দুপুরে চাপাইদ গ্রামে ভূমি চাষ করার পদ্ধতি দেখাতে নিয়ে যান। ট্রাক্টরের পেছনে ভাতিজা ইমনকে বসিয়ে ভূমি কর্ষণের সময় চাচা আলহাজের অজান্তেই ট্রাক্টর থেকে পড়ে যায় ইমন। শিশু ইমন ট্রাক্টরের পেছনে ফলা বরাবর পড়ে মুহূর্তেই টুকরো টুকরো হয়ে যায়। চাচা আলহাজ জমির অপর প্রান্ত ঘুরে আসার সময় মানুষের শরীরের টুকরো দেখে ট্রাক্টর থামিয়ে দেখেন ভাতিজা ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেছে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন বলেন, এ ব্যাপারে মধুপুর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। নিহত শিশু ইমনের বাবা-মার আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 

মেট্রোরেলের কার্ডের রিচার্জ করা যাবে মোবাইল অ্যাপে

মুছাব্বির হত্যা: শুটার জিন্নাতের দায় স্বীকার, তিন আসামি ৭ দিনের রিমান্ডে

অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বনশ্রীর ছাত্রীকে খুন করেন তার বাবার হোটেলের কর্মচারী: র‍্যাব

সন্তানদের অটোপাস চান অভিভাবকেরা, রাজউক কলেজে মানববন্ধন

ব্যবসায়ী আমিরুলের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন ও তাঁর ভাইকে অব্যাহতি

হাদি হত্যার অভিযোগপত্রে আপত্তির বিষয়ে সময় চান বাদী, শুনানি পেছাল ৩ দিন

কুড়িল বিশ্বরোডে রেললাইন থেকে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে হত্যা: নিজেদের হোটেলের কর্মচারী আটক

‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ সাভারে এখনো পোড়ানো হচ্ছে ইট

বিদেশে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে খুন হন মুছাব্বির, পাঠানো হয় ১৫ লাখ টাকা