মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় দুই সন্তানের বক্তব্য গ্রহণ আদালতের আদেশ মতো হয়েছে কি না, তা জানতে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের ভাই এবং মাগুরা জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ৭ আগস্ট তাঁদের হাইকোর্টে হাজির হতে বলা হয়েছে।
আজ বুধবার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালত বলেন, ‘শুধু দাদার উপস্থিতিতে শিশুদের জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য আদেশ ছিল। কিন্তু তাঁদের চাচা জোর করে সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আমাদের মনে হচ্ছে এখানে আদেশের লঙ্ঘন হয়েছে। আমরা তার এবং সমাজসেবা কর্মকর্তার কাছ থেকে সেদিনের ঘটনা শুনতে চাই।’
আদালত বলেন, ‘একজন পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা, এটা স্পর্শকাতর মামলা। এ মামলার বিচার স্বচ্ছভাবে হওয়া উচিত।’
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন।
শিশির মনির বলেন, শিশুদের বক্তব্য রেকর্ডের সময় উভয় পক্ষ প্রভাব বিস্তারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছেন। তাই এ বিষয়ে জানতে দুজনকে ডেকেছেন হাইকোর্ট।
গত ১৬ মার্চ দুই সন্তানকে শিশু আইন মেনে সতর্কতার সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নির্দেশ দেন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ। এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন বাবুলের বাবা আবদুল ওয়াদুদ ও বাবুলের ভাই হাবিবুর রহমান। হাইকোর্ট মাগুরা জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কার্যালয়ে দুই শিশুকে শিশু আইনের বিধান মেনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আদেশ দেন। শিশুরা বর্তমানে মাগুরায় দাদার সঙ্গে থাকেন।