প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সুলতানা আহম্মেদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দুই দিন রিমান্ড শেষে দুপুরের পরে সুলতানাকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার এসআই আশরাফুল আলম। সেই সঙ্গে তাঁকে কারাগারে প্রেরণের আবেদন জানানো হয়। অপরদিকে সুলতানার আইনজীবী তাঁকে কারাগারে প্রথম শ্রেণির মর্যাদা দেওয়ার আবেদন জানান।
শুনানি শেষে আদালত সুলতানাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং কারাবিধি অনুযায়ী মর্যাদা দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
এর আগে গত ৬ নভেম্বর সুলতানাকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে যা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
সুলতানা আহম্মেদ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। এর আগে ৫ নভেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় সুলতানার বিরুদ্ধে মামলা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ১ সেপ্টেম্বর পল্টনে বিএনপির কর্মসূচি চলাকালীন প্রকাশ্যে সংবাদ কর্মীদের উপস্থিতিতে শেখ হাসিনাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেন সুলতানা আহম্মেদ। সেখানে তিনি উসকানিমূলক ও আপত্তিকর কথা বলেন। সুলতানা বিএনপির সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য বিদ্বেষ ও উসকানিমূলক মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন বলেও উল্লেখ করা হয় মামলায়।
এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পরদিন সকালে গুলশানের বাসা থেকে সাবেক এই সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।