চট্টগ্রাম হালিশহরে বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় স্ত্রী-সন্তানের পর মারা গেলেন সাখাওয়াত হোসেন (৪৯)। এ নিয়ে ঘটনাটিতে মারা গেলেন ৫ জন। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, সাখাওয়াতের শরীরের শতভাগই পুড়ে গিয়েছিল।
এর আগে, গত সোমবার সাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০) মারা যান। আর গতকাল মঙ্গলবার তাঁর ছেলে শাওনের (১৬) মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তাঁর ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমন ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি।
ডা. শাওন জানান, বর্তমানে সাখাওয়াতের মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা ৩৮ শতাংশ, ভাইয়ের মেয়ে আয়েশা ৪৫ শতাংশ, ভাইয়ের ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস ৩০ শতাংশ এবং আরেক ভাই শিপন ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের সবার অবস্থাই আশংকাজনক।
এর আগে, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে হালিশহরের বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওইদিন সন্ধ্যার দিকে তাদের বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসে স্বজনেরা।
এ ঘটনায় দগ্ধ হয় মো. সাখাওয়াত হোসেন (৪৬), স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০), ছেলে শাওন (১৬), মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা (১০), সাখাওয়াতের ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমন (৪০), স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫), মেয়ে আয়েশা (৪), ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস (৬) ও সাখাওয়াতের আরেক ছোট ভাই শিপন হোসেন (৩০)।