শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আমদানি করা শতাধিক মোবাইল ফোনসেট, কম্পিউটার পণ্যসহ আটক দুই চীনা নাগরিক ও এক বাংলাদেশিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
যাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে, তাঁরা হলেন ওয়াং গুওফেং (৫২) ও ঝাং হাইবিন (৫০) এবং তাঁদের বাংলাদেশি সহযোগী দেলোয়ার হাওলাদার (২৫)।
আজ দুপুরের পর তাঁদের আদালতে হাজির করে উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই মহাসিন হাসান তাঁদের তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। আসামিদের পক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালতের প্রসিকিউশন দপ্তর থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
এর আগে গতকাল রোববার বিকেলে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ৪ নম্বর রোডের ৪৭ নম্বর বাড়ির ১৪ তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আটক করে উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে দামি ব্র্যান্ডের ৫৭টি স্মার্টফোনসহ ৬৫টি মোবাইল ফোনসেট ও ৭০ পিস কম্পিউটার র্যাম উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বিদেশ থেকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মোবাইল ফোন আমদানি করে তা বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেন। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার করা মোবাইল ফোনসেট ও কম্পিউটার র্যামের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ মোবাইল ফোন চোরাচালানকারী দলের সদস্য। তাঁদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এই চক্রের সঙ্গে আরও যাঁরা জড়িত, তাঁদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে।