হোম > সারা দেশ > ঢাকা

প্রধান তথ্য কর্মকর্তার স্বাক্ষর জালিয়াতি, ভুয়া সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আর্থিকসহ নানা অনিয়মে অভিযুক্ত এক ভুয়া সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল করেছে তথ্য অধিদপ্তর। তিনি অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তার (পিআইও) স্বাক্ষর জালিয়াতি করে একই নম্বরের নকল প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড তৈরি করেছিলেন।

এ অভিযোগে ওই সাংবাদিকের কর্মস্থল ‘নিউজটুনারায়ণগঞ্জডটকম’–এর সম্পাদক ও প্রকাশকের কাছে লিখিত জবাব চাওয়া হয়েছে। চিঠির অনুলিপি ইতিমধ্যে অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনারসহ (সচিবালয়) সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে। 

ওই সাংবাদিকের নাম মোহাম্মদ আলী (আবির)। তিনি নামসর্বস্ব নিউজটুনারায়ণগঞ্জডটকমের প্রধান প্রতিবেদকের পরিচয় দিতেন (রিপোর্টার)। 

চিঠিতে বলা হয়, নিউজটুনারায়নগঞ্জডটকমের চিফ রিপোর্টার মোহাম্মদ আলী (আবির)-এর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) ২৯ সেপ্টেম্বর লিখিত অভিযোগ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও তথা অধিদপ্তরের ফটোগ্রাফারসহ বিভিন্ন ব্যক্তির মৌখিক, লিখিত ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ যাচাই করে ২ অক্টোবর তাঁর অনুকূলে বরাদ্দ করা প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড (অস্থায়ী ৬৪৩৫) বাতিল করা হয়। পরবর্তীকালে এ সাংবাদিক প্রধান তথ্য কর্মকর্তার স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে একই নম্বরের নকল প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড তৈরি করেন। 

এতে আরও বলা হয়, এ কার্যকলাপের জন্য কেন তাঁর বিরুদ্ধে প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন নীতিমালা অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণসহ নিউজটুনারায়ণগঞ্জডটকমের নিবন্ধন বাতিলের সুপারিশ করা হবে না, তার লিখিত জবাব এ পত্র পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে দিতে বলা হলো।

‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ সাভারে এখনো পোড়ানো হচ্ছে ইট

বিদেশে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে খুন হন মুছাব্বির, পাঠানো হয় ১৫ লাখ টাকা

টেলিগ্রামে বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে কোটি টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ১

মুছাব্বির হত্যায় গ্রেপ্তারদের মধ্যে দুজন আপন ভাই, আরেক ভাই পলাতক: ডিবি

সমিতির নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ, হোতা গ্রেপ্তার

বিএনপির প্রার্থীর নির্বাচনী সভায় আওয়ামী লীগ নেতার ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান

রেডিওথেরাপির সক্ষমতা বাড়ানো দরকার

রাসিকের সাবেক মেয়র লিটন ও পরিবারের ৪১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩৯

৯ ঘণ্টা পর প্রক্টর অফিস থেকে ছাড়া পেলেন চবির সেই শিক্ষক