সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে মারা গেলেন রাজধানীর মিরপুরে গ্যাস রাইজার বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ রেনু বেগম (৩৭) নামে আরও এক নারী। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় মারা গেছেন ৫ জন। রেনু বেগম ওই বাসার নিচতলার ভাড়াটিয়া ছিলেন।
আজ বুধবার সকাল ৭টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যান তিনি। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন বার্ন ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন।
ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, মিরপুরের দুর্ঘটনায় আইসিইউতে থাকা রেনু বেগম মারা গেছেন। তাঁর শরীরের ৩৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এর আগে গত বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর মিরপুরে ১১ নম্বর সেকশনের একটি বাসার নিচতলায় গ্যাস রাইজার বিস্ফোরণে শিশুসহ সাতজন দগ্ধ হন। পরে দগ্ধদের হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় মারা যায় রিনা বেগম (৫০)। ওই রাতেই ২টা ও আড়াইটায় মৃত্যু হয় রিনার ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৫) ও গ্যাস চুলার মিস্ত্রি সুমন (৪০)। শুক্রবার বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে মারা যান রওশনারা (৭০)।
ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, এই ঘটনায় নাজনীন (২৫) ২৭ শতাংশ ও তাঁর মেয়ে শিশু নাওশীন (৫) ১৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছেন।
দগ্ধ শফিকুলের ভাই রফিকুল ইসলাম জানান, মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের ১১ নম্বর রোড, সি ব্লক, ৯ নম্বর লাইনের ছয়তলা বাড়িটি তাদের নিজেদের। বাড়ির নিচতলায় তিতাস গ্যাসের লাইন লিকেজ ছিল। দুর্ঘটনার দুই দিন আগেও লিকেজ মেরামত করা হয়। কিন্তু গত বুধবার রাত ১২টার দিকে হঠাৎ বিকট আওয়াজ করে বিস্ফোরণ হয়। এতে তারা দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।