৭২ ঘণ্টা পর পুলিশ যেন কোনো ধর্ষণ মামলার এজাহার না নেয়—এমন পর্যবেক্ষণ দেওয়া সেই বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা সাময়িক সময়ের জন্য কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ পাওয়ার পর তিনি আর এজলাসে বসেননি।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, সকালে প্রতিদিনের মত অফিসে আসেন তিনি। খাসকামরায় বসেই তিনি সুপ্রিম কোর্টের আদেশ পান। এরপর আর তিনি মামলা পরিচালনার জন্য এজলাসে বসেননি।
এর আগে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক বেগম মোছা. কামরুন্নাহারকে আজ রোববার থেকে আদালতে না বসার নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি।
আজ রোববার সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রধান বিচারপতি এ নির্দেশ দেন। ওই বিচারককে বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করতে সুপ্রিম কোর্ট থেকে মন্ত্রণালয়ে চিঠিও পাঠানো হয়েছে।
এর আগে রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ মামলার রায়ে এমন পর্যবেক্ষণ দেন ওই বিচারক। রায়ের পর থেকেই সমালোচনার ঝড় ওঠে গোটা দেশে।