হোম > সারা দেশ > ঢাকা

তাহসিফ হত্যা মামলা: তৃতীয় দফায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি। ছবি: সংগৃহীত

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলায় তৃতীয় দফা রিমান্ড শেষে আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

আজ বিকেলে দীপকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে দীপের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত ২৯ অক্টোবর রাতে মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের বি ব্লকের একটি বাসার তৃতীয় তলা থেকে দীপকে হেফাজতে নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নিখোঁজ হওয়ার আগে তাহসিফের সঙ্গে প্রায় ছয় ঘণ্টা সময় কাটিয়েছিলেন তাঁর ‘বন্ধুতুল্য’ ছোট ভাই দীপ।

গত ৩১ অক্টোবর তাহসিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে দীপকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে ৩ নভেম্বর তাঁকে আবার তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এরপর ৫ নভেম্বর তৃতীয় দফায় আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

পুলিশের রিমান্ডসংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার দিন তাহসিফের সঙ্গে ঘোরাফেরা, বিভিন্ন স্থানে যাওয়া এবং রেস্তোরাঁয় খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন দীপ। তবে মামলার ঘটনা সম্পর্কে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব কৌশলে এড়িয়ে গেছেন এবং নীরবতা পালন করেছেন বলে দাবি পুলিশের।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দীপ মামলার ঘটনা সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তদন্তের স্বার্থে সেগুলো গোপন রেখে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ছাড়া দীপ ও হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তরুণী দুজনই তাহসিফ হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। ঘটনার রাতে তাহসিফ ও দীপের সঙ্গে ওই তরুণীকে একাধিক স্থানে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ মামলায় তরুণীকেও গ্রেপ্তার করে দুই দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। গত শুক্রবার রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন তাহসিফ। দীপের ডাকে সাড়া দিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তিনি। পরদিন ২৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তুরাগ নদে মরদেহ ভাসতে থাকার খবর পেয়ে টঙ্গী নদী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার করেন। হাতঘড়ি ও পকেটে থাকা আইফোনের সূত্র ধরে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় গত ৩১ অক্টোবর সকালে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে রাজধানীর উত্তরখান থানায় হত্যা মামলা করেন তাঁর বাবা কে এম এনায়েতুল করিম। মামলার এজাহারে তাহসিফকে দীপ বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়।

বাসা থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামীর দাবি আত্মহত্যা

৭ নভেম্বর ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বিএনপির দ্বিচারিতা আছে: হাসনাত

জিয়াউর রহমানকে উদ্ধার করেছিল সেনাবাহিনী: সাখাওয়াত হোসেন

নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে আবার হামলা, আটক ৫

রাজধানীতে ২৬ নভেম্বর শুরু হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক ফায়ার, সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো’

কলেজ প্রশাসন পুলিশ ডাকেনি, মধ্যরাতে হামলার তদন্ত দাবি অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের ছাত্রীদের

কেরানীগঞ্জে চাঁদাবাজির মামলার বাদী গ্রেপ্তার, ‘মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর’ অভিযোগ

উত্তরায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দানোত্তম কঠিন চীবর দান

পুলিশ সদস্যকে ডেকে নিয়ে হাত-পা ভেঙে রগ কাটার অভিযোগ

তদন্ত ঘুরপাক খাচ্ছে ১৫ মিনিটে, কী ঘটেছিল তখন তাহসিফের সঙ্গে