কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ট্রেন দুর্ঘটনায় মালবাহী ট্রেনটির চালক, সহকারী চালক ও পরিচালকের (গার্ড) নামে মামলা করেছেন নিহত এক ব্যক্তির স্বজন। আজ বুধবার নিহত নজরুলের ছোট ভাই বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে ভৈরব রেলওয়ে থানায় মামলাটি করেন।
এ ছাড়া এই মামলায় ট্রেন পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের অভিযুক্তের তালিকায় রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলীম হোসেন শিকদার। তিনি জানান, মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে।
মামলায় আসামিরা হলেন মালবাহী ট্রেনটির চালক জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী চালক আতিকুর রহমান ও পরিচালক (গার্ড) মো. আলমগীর।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ট্রেন পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গাফিলতি ছিল বলেই ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাঁরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে এ দুর্ঘটনা ঘটত না। এত মানুষের ক্ষতিও হতো না।
উল্লেখ্য, গত সোমবার ভৈরব বাজার জংশনের কাছাকাছি জগন্নাথপুর এলাকায় কিশোরগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এগারসিন্দুর গোধূলি ও ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী মালবাহী ট্রেনের মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৮ জন নিহত হন। আহত হন শতাধিক।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে গতকাল মঙ্গলবার নজরুলের মৃত্যু হয়। তিনি পার্শ্ববর্তী নরসিংদীর বেলাব উপজেলার সররাবাদ গ্রামের দর্শন মিয়ার ছেলে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভৈরব পৌর শহরের আমলাপাড়ায় থাকতেন তিনি।
এ ঘটনায় দিনই লোকোমাস্টার জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী লোকোমাস্টার আতিকুর রহমান ও পরিচালক (গার্ড) আলমগীর হোসেনকে বরখাস্ত করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।