ঢাকার ধামরাইয়ে রবিউল ইসলাম (৩০) হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। রবিউলের বোন ফারজানা আক্তার ঝিলিক বাদী হয়ে গতকাল সোমবার রাতে ধামরাই থানায় মামলাটি করেছেন। এর আগে গতকাল সোমবার দুপুরে তিনি নিহত হন।
পুলিশ জানায়, মামলায় ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আটজনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে গত সোমবার আটক পাঁচজনের মধ্যে আলম ভূঁইয়া (৫৫), সেলিম ভূঁইয়া (৪০), আজহার ভূঁইয়া (২৪) ও ফারুক ভূঁইয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টতা না থাকায় ফরহাদ নামের অপর ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের সাত দিনের রিমান্ডে চেয়ে আজ মঙ্গলবার ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মামলার বাদী ও নিহত রবিউলের বোন ফারজানা আক্তার বলেন, ‘আমার ভাই একজন ব্যবসায়ী। তিনি বিভিন্ন পোশাক কারখানায় কন্ট্রাক্টে কাজ করতেন। সম্ভবত ব্যবসা থেকেই সৃষ্ট দ্বন্দ্বের জের ধরে আমার ভাইকে মারধর করা হয়। পরে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে বস্তায় ভরে তাঁকে ধামরাইয়ে ফেলে যায় তারা।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ধামরাই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নির্মল কুমার দাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জের ধরে রবিউলকে হত্যা করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে প্রকৃত সত্য বের হয়ে আসবে।’
রবিউল ইসলামের বাড়ি ঢাকার আশুলিয়ার গাজীরচট এলাকায়। গতকাল সোমবার দুপুরে ধামরাই ভাড়ারিয়া থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।