হোম > সারা দেশ > ঢাকা

নাহিদের মৃত্যুর ঘটনায় বাবার হত্যা মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দোকানমালিক ও কর্মচারীদের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে নাহিদ হোসেনের (১৮) মৃত্যু ঘটনায় মামলা করেছেন তাঁর বাবা নাদিম মিয়া। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিউ মার্কেট থানায় অজ্ঞাত আসামির নামে হত্যা মামলাটি দায়ের করেছেন তিনি। 

বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিউ মার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার শরিফ মোহাম্মদ ফারুকুজ্জামান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারেননি। 

গত মঙ্গলবার রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় দোকানমালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সংঘর্ষের ঘটনায় মারা যান নাহিদ। তিনি ডি-লিংক নামে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের ‘ডেলিভারিম্যান’ ছিলেন। ওই দিন সকাল ১০টায় কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হয়েছিলেন তিনি। দুপুরে নিউমার্কেট এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে মাথায় আঘাত পান নাহিদ। রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

নিহত নাহিদের (১৮) মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন নিউমার্কেট থানার (পরিদর্শক) ইয়াসিন কবির। সুরতহাল প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, নাহিদের মাথায় পাশাপাশি চার জায়গায় কাটা জখম রয়েছে। কপালের ডান পাশে, নাকের বাম পাশে, দুই হাতে বিভিন্ন জায়গায় ও পিঠে পাশাপাশি তিনটি কাটা জখম। এ ছাড়া বাম পায়ে গোড়ালির নিচেসহ দুই পায়েই নীলাফুলা জখম রয়েছে। বুধবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। 

সুরতহাল প্রতিবেদনে ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ বলে, নিউমার্কেট এলাকায় গতকাল দুপুরে ব্যবসায়ী ও ঢাকা কলেজের ছাত্রদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে গুরুতর আহত হয় নাহিদ। তখন পথচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। 

কিন্তু বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে ভিন্ন বিষয়। দুই মিনিটের ওই ভিডিতে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে দোকান মালিক কর্মচারীদের পক্ষে সেই সংঘর্ষে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন নাহিদ। প্রথমে ইটে আঘাতে আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান তিনি। পরে হেলমেট পরে থাকা এক যুবক এসে পর পর দুইটা কোপ দেন নাহিদের শরীরে। একটু পরেই তাঁকে কাঁধে করে নিয়ে যান সঙ্গীরা। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নাহিদের বাসা রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের রনি মার্কেটের মেম্বার গলিতে। নাহিদরা তিন ভাই। বাড়িতে থাকেন বাবা মা আর ভাইদের সঙ্গে। নাহিদ তাঁদের মধ্যে বড়। মেজ ভাই শরীফের বয়স সাত বছর ও ছোট ভাই ইব্রাহিমের বয়স তিন বছর। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন নাহিদ। এরপর আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে লেখাপড়া আর এগোয়নি। পরিবারের হাল ধরতে অল্প বয়সেই কাজে নেমে পড়েন নাহিদ। সাত হাজার টাকা বেতনে গত দুই বছর কুরিয়ার সার্ভিসের ডেলিভারিম্যান হিসেবে কাজ করছিলেন। 

পরিবারের ইচ্ছাতেই গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর ভালোবেসে বিয়ে করেন ডালিয়ার নামের একটি মেয়েকে। ডালিয়ার হাতের মেহেদির রং এখনো মুছে যায়নি তার আগেই নাহিদের এই অকাল মৃত্যু। শোকসন্তপ্ত পরিবারের কেউ মেনে নিতে পারছেন না এই মৃত্যু। 

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীর ছিনতাই হওয়া অস্ত্র উদ্ধার

মসজিদভিত্তিক শিক্ষা প্রকল্পের কর্মকর্তা রাশেদুলের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারে পাঁচ মাসে মিলল ৫ লাশ, শনাক্ত হয়নি, গ্রেপ্তারও নেই

ডাকসুর কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণ ও ‘ইউরেনিয়াম’ স্লোগান নিয়ে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া

তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম, ফোনে আবার হত্যার হুমকি

রাজধানীর গুলশানে ঘর থেকে তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নীতিসহায়তা না পেলে ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ঝুঁকিতে পড়বে

কেরানীগঞ্জে রাতের আঁধারে মাটি লুট, গ্রেপ্তার ১

মৌখিক পরীক্ষার দেড় মাস পরও ফল প্রকাশ হয়নি, হতাশায় পরীক্ষার্থীরা

উত্তরায় মাইক্রোবাসে এসে প্রাডো গাড়িসহ এক ব্যক্তিকে অপহরণ, নিরাপত্তাকর্মীর অস্ত্র লুট