প্রথম বাংলাদেশি আমেরিকান অভিবাসী এবং আমেরিকান মুসলিম হিসেবে নির্বাচিত ডালাথ সিটি কাউন্সিল আজরিন আওয়াল বলেছেন, ‘আমেরিকায় অনুষ্ঠানের গুরুত্ব বিবেচনা অধিকাংশ মিটিং হয় অনলাইনে। তাঁরা অফিস করে অনলাইনে। আমি আমেরিকার একজন সিটি কাউন্সিলর হিসেবে সেখানকার একাধিক কাউন্সিলর মিটিং বাংলাদেশে বসে অনলাইনের মাধ্যমে করেছি।’
তিনি বলেন, ‘কিন্তু আমি বাংলাদেশে এসে ট্রাফিক জ্যামে হয়রানির শিকার হয়েছি। এখানে সব মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে। যে চাইলে একটা মিটিং অনলাইনে করতে পারে সে একটা গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নেমে যায়।’
আজ শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলা বিপ্লব আয়োজিত ‘বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুব সহযোগিতার বিষয়ে’ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আজরিন আওয়াল বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের মেয়ে, কিন্তু বড় হয়েছি আমেরিকায়। বিদেশে বসে চিন্তা করতাম, আমি বাংলাদেশে থাকলে কী করতাম। দেশের প্রতি আমার দায়িত্ববোধ নিয়ে চিন্তা করি।’
আলোচনা সভার বাংলা বিপ্লবের সভাপতি সাকিব আলি বলেন, ‘আজরিন বাংলাদেশি হয়ে বিদেশের মাটিতে সিটি কাউন্সিলর হয়েছেন। আমরা তো বাংলাদেশে ভোটই দিতে পারি না। আমাদের দেশে তো নির্বাচনই হয় না। সেই জায়গা থেকে আমাদের দেশের প্রতিটি তরুণকে আজরিনের জায়গায় আসতে হবে। আমাদের তরুণদেরও নির্বাচন করে জিতে তরুণ নেতৃত্বে আসতে হবে।’
যেসব তরুণ বিদেশের মাটিতে ভালো অবস্থান তৈরি করছে, তাঁদের সঙ্গে বাংলাদেশের তরুণদের সম্পর্ক স্থাপন করে একসঙ্গে দেশের জন্য কাজ করার আশ্বাস দেন তিনি।