ঢাকা: ঢাকার পার্শ্ববর্তী তুরাগ বাজার। সেখান থেকে মুরগি আনা হয় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস হাউসের পাশের এয়ারপোর্ট রেস্তোরাঁয়। প্রতিদিন অন্তত ২০০ মুরগির মাংস বিক্রি করে রেস্তোরাঁটি। একটি পিকআপে আনা মুরগিগুলোর মধ্যে অর্ধেক থাকে মরা। দীর্ঘদিন ধরে মরা মুরগি ক্রেতাদের পরিবেশন করা হচ্ছে।
শনিবার দুপুরে তাজার মুরগির ঝুড়ির মধ্যে হাতেনাতে ১১৯টি মরা মুরগি জব্দ করে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। আটক করা হয় রেস্তোরাঁর ম্যানেজার ও মরা মুরগির বিক্রেতাসহ ৭ জনকে।
এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, আমাদের সাদা পোশাকের সদস্যরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এয়ারপোর্টের কাস্টমস হাউসের পার্শ্ববর্তী এয়ারপোর্ট রেস্তোরাঁ থেকে ২০০ মুরগি জব্দ করে। এর মধ্যে ১১৯টি মুরগি মরা। একটি ছোট পিকআপে মুরগিগুলো রেস্তোরাঁয় নিয়ে আসলে হাতেনাতে জব্দ করা হয়। এ সময় রেস্তোরাঁর ম্যানেজার রবিউল, মৃত মুরগির বিক্রেতা, রেস্তোরাঁর বাবুর্চিসহ ৭ জনকে আটক করা হয়।
এপিবিএনের একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তুরাগে মুরগির বড় বাজার ও খামার রয়েছে। অসুস্থতাসহ বিভিন্ন কারণে কিছু মুরগি মারা যায়। মরা মুরগিগুলো তাঁরা ফেলে না দিয়ে তাজা মুরগির সঙ্গে অল্প দামে রেস্তোরাঁয় বিক্রি করে। খামার ও বাজার কেন্দ্রিক এই ধরনের আরও চক্র রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা তাজা মুরগির সঙ্গে মরা মুরগি কিনে এনে বিক্রি করত।