কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ওয়ার্কশপে কাজ করতে গিয়ে ডান হাত হারানো শিশু নাঈম হাসান বাকি ১৫ লাখ টাকাও বুঝে পেয়েছেন। আজ সোমবার আপিল বিভাগের মাধ্যমে ওয়ার্কশপ মালিক ১৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার বুঝিয়ে দেন। এ নিয়ে ক্ষতিপূরণের পুরো ৩০ লাখ টাকা বুঝে পেল শিশু নাঈম।
আদালতে শিশুর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ওমর ফারুক। তিনি জানান, তিন দফায় ক্ষতিপূরণের অর্থ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ৬ মাসের পড়া-লেখার বকেয়া খরচও বুঝিয়ে দিয়েছে। প্রতি মাসে শিশুটির পড়া-লেখার খরচ হিসেবে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত ওয়ার্কশপ মালিককে ৭ হাজার টাকা করে দিতে হবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কোভিডের সময় ১০ বছর বয়সী নাঈম হাসানকে ওয়ার্কশপে কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। পরে কাজ করতে গিয়ে তার ডান হাত মেশিনে ঢুকে যায়। পরে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কনুই থেকে হাতটি বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে হয়।
ঘটনার পর ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন শিশুটির বাবা। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং শিশুটির এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে ৭ হাজার টাকা করে দিতে রায় দেন হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ওয়ার্কশপ মালিক হাজী ইয়াকুব আপিল বিভাগে আবেদন করেছিলেন। তবে রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।