মুন্সিগঞ্জ: মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে প্রবেশের মূল পথে গতরাত থেকে আজ সকাল ১১টা পর্যন্ত দুই প্ল্যাটুন বিজিবি মোতায়েন ছিল। এর মাঝেও বিকল্প পথে শিমুলিয়া ঘাটে আসে কয়েক হাজার দক্ষিণবঙ্গগামী মানুষ। মূলত অ্যাম্বুলেন্স, লাশবাহী গাড়ির জন্য সকাল ৯টা থেকে ২টি ফেরি শিমুলিয়া থেকে ছেড়ে যায়। তবে ফেরি ঘাটে আসতেই লোকজন উঠে পড়ায় অ্যাম্বুলেন্স ওঠার জায়গা পেতে বেশ সমস্যা হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ফেরিতে জায়গা না পেয়ে অনেকেই ট্রলারে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন। এ পর্যন্ত এমন ৫টি ট্রলার আটক করেছে নৌ-পুলিশ। তবে ঘাটে মানুষের চাপ কিছুটা কমছে।
বেশ কয়েকদিন ধরে দক্ষিণবঙ্গে যাওয়ার মূল পরিবহন লঞ্চ বন্ধ রয়েছে। এরইমধ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিসি) ৭মে দিনগত রাতে সিদ্ধান্ত জানায়, ‘দিনের বেলায় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে। রাতে মালবাহী ট্রাকের জন্য ফেরি চলবে।' এমন সিদ্ধান্তের পর টানা ২ দিন ধরে দক্ষিণবঙ্গগামী ২১ জেলার মানুষ ঈদ উপলক্ষ্যে বাড়ি যেতে নানা ভোগান্তিতে পড়েছেন। তবে গতকাল ও আজ জনতার চাপে কর্তৃপক্ষ ফেরি ছাড়তে বাধ্য হয়।
করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত লকডাউন চলছে। এরই অংশ হিসেবে দূরপাল্লার গাড়ি বন্ধ রাখা হয়েছে। শিমুলিয়া ঘাটে লঞ্চ, স্পিডবোটও বন্ধ রাখা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ফেরিতে গাদাগাদি করে পারাপার হচ্ছিল মানুষ। এভাবে যাওয়ায় করোনার ঝুঁকি আরও বাড়ছে। তাই ফেরিও বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়।