আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি তাদের স্থায়ী-অস্থায়ী প্রায় সাড়ে পাঁচ শ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করে। চাকরি হারানো কর্মকর্তাদের অভিযোগ, সম্পূর্ণ আইনবহির্ভূতভাবে এবং তাঁদের জায়গায় নতুন কর্মকর্তা নিয়োগের জন্যই এ চাকরিচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আজ শনিবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন চাকরিচ্যুত ওই ব্যাংক কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে নিজ শাখায় স্বপদে বহাল রাখাসহ ৭ দফা দাবিও জানান তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা বলেন, ‘আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৬৪ জেলার বিভিন্ন শাখায় কর্মরত ৫৪৭ জনকে বিনা কারণে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। গত ২০ জুলাই ই-মেইল পাঠিয়ে আমাদের একসঙ্গে চাকরিচ্যুত করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। আমাদের বেশির ভাগ কর্মকর্তার চাকরির বয়স ৩-৪ বছর। চাকরিকালে আমাদের ওপর অর্পিত সব দায়িত্ব দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে যথাযথভাবে পালন করেছি। অথচ চাকরিচ্যুতির জন্য কোনো যৌক্তিক কারণ না থাকা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যা অজুহাতে আমাদের অপসারণ করা হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন খুলনা জোন থেকে আসা আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা (ক্যাশ) আরিফা খাতুন।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম থেকে আসা চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা (ক্যাশ) মোস্তাফিজুর রহমান ও ফরহাদ হোসেন; বরগুনার পাথরঘাটা থেকে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা মাইনুল ইসলাম ও রুবাইয়া আমিন; ভোলা ব্রাঞ্চ থেকে আসা চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা (ক্যাশ) রেজাউল করিম প্রমুখ।
বিশেষ স্বার্থে তাঁদের পদের বিপরীতে নতুন নিয়োগের প্রচেষ্টা চলছে বলেও এ সময় অভিযোগ করেন তাঁরা।
ব্যাংক কর্মকর্তারা বলেন, ‘নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করতে না পারা বা অদক্ষতার অজুহাত দেখিয়ে কর্মকর্তাদের প্রাপ্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত বা চাকরিচ্যুত করা যাবে না। আমাদের অপসারণ নীতি অনুসারে সম্পূর্ণ বেআইনি। বেআইনিভাবে চাকরিচ্যুতির ফলে আমাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে চরম আর্থিক সংকট ও মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য চাকরিচ্যুত সব কর্মকর্তাকে স্বপদে নিজ শাখায় বহাল করাসহ ৭টি দাবি ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে জানাচ্ছি।’
দাবিগুলো হচ্ছে: