একটি ডাকাতির মামলায় হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেছিলেন সিরাজগঞ্জের আমিন শেখ। হাইকোর্ট শুনানি শেষে ২০১৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর তাঁকে এক বছরের জামিন দিয়ে রুল জারি করেন। এরপর থেকে ওই রুল আর শুনানি হয়নি। গতকাল বুধবার ওই রুল নিষ্পত্তি করেন হাইকোর্ট।
সম্প্রতি এ রকম পুরোনো জামিন-সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। দায়িত্ব দেন ১২টি বেঞ্চকে। এর মধ্যে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের বেঞ্চ গতকাল ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত জামিন-সংক্রান্ত ১ হাজার ৪৯৭টি রুল নিষ্পত্তি করেন। আর একটি রুল খারিজ করা হয়। আদালত বলেন, যাঁরা জামিনের অপব্যবহার করেননি, যাঁদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ নেই, এমন রুলগুলো যথাযথ ঘোষণা করা হলো। আর যাঁদের জামিন বাতিল হয়েছে, তাঁদের রুল খারিজ করা হলো। গতকাল এ রকম ১১টি বেঞ্চে মোট ৩ হাজার ৫১৪টি জামিন-সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
এদিকে এক দিনে এত আবেদন নিষ্পত্তি হাইকোর্টে এবারই প্রথম বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমিনুল ইসলাম বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বেশ কিছু মামলা রুল শুনানির জন্য ছিল। বিভিন্ন কোর্টে এসব মামলায় আসামিদের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এসব জামিনের মেয়াদ বাড়ান। যাঁদের মামলায় জামিনের মেয়াদ বাড়ানো ছিল, সেগুলো যথাযথ ঘোষণা করেছেন আদালত। আর যেগুলোর মেয়াদ বাড়ানো হয়নি, সেগুলো খারিজ করেছেন। এই মামলাগুলো নিষ্পত্তি হওয়া দরকার ছিল। কেননা এসব মামলার নথি রেখে রেকর্ডরুম ভারী করার কোনো কারণ নেই।