ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলের আবাসন সংকট নিরসনে ৩০০ শিক্ষার্থীকে অন্য হলে স্থানান্তরসহ তিন দফা দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন উপাচার্য। আশ্বাস পেয়ে হলে ফিরেছেন বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাসভবনের সামনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান আশ্বাস শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেন।
এর আগে বেলা ১টার দিকে তিন দফা দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন মৈত্রী হলের শিক্ষার্থীরা। রাত ১০টার দিকে উপাচার্য গাড়িতে করে বাসভবনে ঢুকতে চাইলে তাঁকে আটকে রাখেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে সাড়ে ১০টার দিকে উপাচার্য গাড়ি থেকে নেমে এসে দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেন।
উপাচার্য বলেন, ‘তোমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা রোববারই ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছি। আগামী এক মাসের মধ্যে ছাত্রীদের অন্যান্য হলে স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে। এটা আমরা করব, অবশ্যই করব। এই হয়রানি উচিত ছিল না, তোমাদের সবার কষ্ট হইছে, এখন হলে চলে যাও।’
আন্দোলনের সমন্বয়ক নুসরাত জাহান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপাচার্য স্যার এসে আমাদের দাবি মেনে নিয়েছেন, এক মাস বা তার কম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করার আশ্বাস দিয়েছেন। আশা করি, স্যারের আশ্বাস বাস্তবায়নের মুখ দেখবে।’
শিক্ষার্থীদের অন্য দাবিগুলো হলো—হলের আসনসংখ্যার সঙ্গে সমন্বয় রেখে শিক্ষার্থীদের বরাদ্দ দেওয়া এবং মূল ভবনের একটি কক্ষ ছয়জনের বেশি শিক্ষার্থীকে বরাদ্দ দিয়ে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট না করা।
এর আগে গত রোববার (১৩ আগস্ট) তিন দফা দাবি নিয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা উপাচার্য ‘অসহযোগিতাপূর্ণ’ আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ করে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।