হোম > সারা দেশ > ঢাকা

সুয়ারেজ লাইন ঠিক নেই, তাই লেকে বুদবুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর গুলশান-বনানী এলাকায় অনেক বাড়িতে সুয়ারেজ সিস্টেম ঠিক নেই। বাড়ির সুয়ারেজ লাইন সরাসরি দিয়ে দেওয়া হয়েছে ড্রেনে ও লেকে। এতে লেকের পানি দূষিত হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। মানুষের পয়োবর্জ্য লেকের পানিতে মিশে মিথানল গ্যাসের বুদবুদ সৃষ্টি করছে। এমন তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘লেকে বুদবুদ উঠছে। এটা মাছের বুদ্‌বুদ নয়। মিথানল গ্যাসের বুদ্‌বুদ। সুয়ারেজ লাইন ঠিকমতো থাকলে লেকে বুদ্‌বুদ হতো না।’

আজ মঙ্গলবার বনানী কবরস্থানসংলগ্ন লেকপাড়ে পয়োবর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা পরিদর্শনে গিয়ে ডিএনসিসি মেয়র এসব কথা বলেন।

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ফেব্রুয়ারি মাসে সিটি করপোরেশনের আইন অনুযায়ী নগরবাসীকে সচেতন করতে গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছি, কিন্তু কাজ হয়নি। সুয়ারেজ সিস্টেম উন্নয়নে আমরা বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেব। শর্ট-টার্ম, মিডটার্ম ও লং টার্মে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। আমরা খোঁজ নেব কোথায় সেপটিক ট্যাংক আছে, কোথায় সুয়ারেজ লাইন আছে। আমার কাছে তালিকা আছে—কোন বাড়ির মালিক সরাসরি লেকে সুয়ারেজ লাইন দিয়েছে। আমরা আজকে ২১টি বাড়িতে ঘুরেছি। একটিতেও সেপটিক ট্যাংক নেই। সরাসরি ড্রেনেজ সিস্টেমে সুয়ারেজ লাইন।’ 

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানে ডিজিটাল প্রদর্শনী আয়োজনের কথা জানিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘পুরোনো যেসব ভবনে সুয়ারেজ সিস্টেম নেই, কীভাবে সমাধান করা যাবে, নতুন তৈরি হওয়া ভবনে কীভাবে ডিজাইন হতে পারে—এই বিষয়গুলো তুলে ধরে আমরা ডিজিটাল প্রদর্শনী আয়োজন করব। যেসব বাড়ির সুয়ারেজ লাইন লেকে বা ড্রেনে আছে, তাদের আমরা ছয় মাসের নোটিশ দেব। তারপর আইনি ব্যবস্থা নেব।’ 

পরিদর্শনের সময় বনানী সোসাইটির সভাপতি শওকত আলী ভূঁইয়া বলেন, ‘বনানীর কিছু কিছু বাড়িতে সেপটিক ট্যাংকের সিস্টেম আছে। কিছু কিছু বাসায় নেই। দুইটা লাইন থাকার কথা। একটা সাধারণ ড্রেন। আরেকটা সুয়ারেজ লাইন। আমরা ওয়াসাকে নিয়মিত সুয়ারেজ লাইন বিল দিই। অনেক জায়গায় সুয়ারেজ লাইন না থাকায় অনেক বাড়ি মালিক ড্রেনের লাইনে সুয়ারেজ লাইন দিয়ে দেয়। এতে লেকের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। লেক যাতে দূষণ না হয়, এর জন্য ডিএনসিসির সঙ্গে আমরা কাজ করব।’

বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশনের অধ্যাপক ড. মুজিবুর রহমান, ‘শহরের নাগরিক সুবিধা কেমন, তা নির্ভর করে স্যানিটেশন ব্যবস্থা কতটা উন্নত তার ওপর। ঢাকা শহরের স্যানিটেশন ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। সুয়ারেজ সিস্টেম না থাকলে পুরো শহরের ইকোসিস্টেম ধ্বংস হয়ে যাবে। সুয়ারেজ লাইন সিস্টেমকে উন্নত করার দায়িত্ব ওয়াসার। আর সাধারণ ড্রেন সিস্টেম ভালো রাখার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের।’ 

ঢাকা ওয়াসার তথ্যমতে, ঢাকায় মাত্র ২০ শতাংশ বাড়িতে সুয়ারেজ কানেকশন রয়েছে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে সবাইকে সুয়ারেজ লাইনের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি। 

ফাতেমা এবার জাইমা রহমানের ছায়াসঙ্গী!

বাকি আছে ২২ দিন, এর মধ্যে হাদি হত্যার বিচার না হলে সরকার পতনের আন্দোলন: ইনকিলাব মঞ্চ

সাভারে নিজ বাড়িতে ব্যবসায়ীর দুই চোখ ওপড়ানো লাশ

বিটিআরসি ভবনে হামলার মামলায় ৪৫ আসামি কারাগারে

বিটিআরসি ভবনে হামলায় ৫৫ জনের নামে মামলা

হাদি হত্যার বিচার দাবিতে আবারও শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চ

রাজধানীতে বাসা থেকে নারী পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার, স্বামীর দাবি—আত্মহত্যা

ঘন কুয়াশায় শাহজালালে নামতে না পেরে চট্টগ্রাম-কলকাতা-ব্যাংককে গেল ৯ ফ্লাইট

বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় ২৬ জন আটক

হাদি হত্যা: সঞ্জয় ও অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ফয়সালের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি