ঢাকার ধামরাইয়ে আজ বুধবার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ইফতার মাহফিলে খাবার বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে এক নারী ইউপি সদস্যসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ দুজনকে আটক করেছে।
ইফতার মাহফিলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সাংসদ এমএ মালেকের সমর্থকদের দায়ী করেছেন স্থানীয় সাংসদ বেনজীর আহমেদ। অন্যদিকে এমএ মালেক এই অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনার জন্য সাংসদ বেনজীরের সমর্থকদের দোষারোপ করেন।
পুলিশ ও দলের নেতা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে ধামরাইয়ের হরলাল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় আমতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংসদ বেনজীর আহমেদসহ তাঁর অনুসারী নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ইফতার বিতরণ নিয়ে কর্মীদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে কর্মীরা বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। আধা ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষই অনুষ্ঠানস্থলের চেয়ারসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করেন। তাঁরা স্কুলের ভেতরে ঢুকেও ভাঙচুর চালান। এ সময় আমতা ইউনিয়নের সদস্য বিউটি আক্তার ও তাঁর ছেলে রাব্বি, যুবলীগ নেতা সেলিম, কাইয়ুম, জব্বার, রুহুলসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, ইফতার সামগ্রী বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে।