প্রতিবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় নাট্যোৎসব আয়োজন করে থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ। কিন্তু করোনার কারণে ২০১৯ সালের পর আর নাট্যোৎসব আয়োজন সম্ভব হয়নি। ২০২০ সালে এ উৎসব আয়োজনের চেষ্টা করা হলেও করোনার কারণে তা সম্ভব হয়নি। প্রায় দুই বছর পর আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫তম কেন্দ্রীয় বার্ষিক নাট্যোৎসব। ২১ মার্চ থেকে আগামী ১ এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটমণ্ডল মিলনায়তনে চলবে এই উৎসব। সেই লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটমণ্ডল মিলনায়তনে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
উদ্বোধনী দিনে বিভাগের অধ্যাপক ইসরাফিল শাহীন নির্দেশিত স্যামুয়েল বেকেটের নাটক ‘ওয়েটিং ফর গডো’ মঞ্চস্থ হবে। ২৬ মার্চ পর্যন্ত চলবে এ নাটকের প্রদর্শনী। ২৭ মার্চ থেকে শিক্ষার্থীদের নির্দেশনায় সাতটি নাটকের প্রদর্শনী শুরু হবে। ২৭ মার্চ দেবাশীষ কুমার নির্দেশিত ‘খারিজ’ ও আশরাফুল ইসলামের নির্দেশনায় ‘কোথায় পাব তারে’ মঞ্চস্থ হবে। ২৮ মার্চ অপূর্ব চক্রবর্তীর ‘রেপার্টরি থিয়েটার এ প্লে’ ও ওয়াজেদ শাহরিয়ার হাশমীর ‘দ্য শ্যাডো অব হামিংবার্ড’ মঞ্চস্থ হবে। ২৯ মার্চ মঞ্চস্থ হবে নাদিরা আঞ্জুম মিমির ‘দ্যা টু ক্যারেক্টার প্লে’ ও তাসলিমা হোসেন নদীর ‘শেষ গোধূলির ঘুম’ এবং ইন্দ্রাণী দাস নিশির নির্দেশনায় নাটক ‘নাথবতী অনাথবৎ’। ৩০ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বিসর্জন’ নাটকটির যাত্রাপালা রীতির নিরীক্ষামূলক উপস্থাপনা মঞ্চস্থ হবে। এর নির্দেশনায় আছেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানভীর নাহিদ খান।
বিভাগের অষ্টম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী তাসলিমা হোসেন নদী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নাটকটি তুলতে বিভাগের সবাই খুব সহযোগিতা করেছে। অভিনেতারা সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করেছে। অনেক প্রতিবন্ধকতা ছিল, আছে, কিন্তু সম্মিলিতভাবে সব কাটিয়ে উঠেছি আমরা ৷ আশা করি, দর্শকেরা কয়েকটি ভালো নাটক দেখতে পারবেন।’