এবি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ১৭৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলার ১৪ আসামিকে খুঁজে পায়নি পুলিশ। গ্রেপ্তারের জন্য উল্লেখিত ঠিকানায় গিয়ে আসামিদের কাউকেই খুঁজে পায়নি পুলিশ। তবে তাঁরা যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন, সে জন্য ইমিগ্রেশনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আইজিপির পক্ষ থেকে বুধবার হাইকোর্টে দাখিল করা প্রতিবেদনে এমনটি জানানো হয়েছে।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, ‘আমরা প্রতিবেদন পেয়েছি। এটি বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের বেঞ্চে জমা দেওয়া হবে। মোট ১৭ আসামির মধ্যে এরশাদ আলীসহ তিনজন কারাগারে রয়েছেন।’
এর আগে এই মামলায় আগাম জামিন নিতে গেলে মূল আসামি এরশাদ আলীকে গত ১৭ মে পুলিশের হাতে তুলে দেন হাইকোর্ট। অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় গত বছরের ৮ জুন মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), যাতে এরশাদসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, পদ্মা সেতু প্রজেক্টের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি ও সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেডের নাম করে ছয়টি ভুয়া কার্যাদেশ এবং সাতটি ভুয়া ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে এবি ব্যাংকের কাকরাইল শাখা থেকে ১৭৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন এরশাদ আলীসহ আসামিরা।
জানা যায়, একসময় রাজশাহীতে রিকশা চালাতেন এরশাদ আলী। পরে রিকশা ছেড়ে শুরু করেন বালুর ব্যবসা। ধীরে ধীরে পাথর, রড ও সিমেন্টের ব্যবসায় নামেন তিনি। নামসর্বস্ব বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক থেকে হাতিয়ে নেন অন্তত ৫০০ কোটি টাকা, যার অনুসন্ধান করছে দুদক।