ঢাকা জেলার আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি হলেন রেজাউল করিম মাদবর। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
আসামি রেজাউল করিম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়ার পর এই সাজা কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সাজা কার্যকরের আগে হাইকোর্টের অনুমোদন নিতে হবে বলেও রায়ে বলা হয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, আট বছরের এক মেয়েকে নিয়ে আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় থাকতেন রেজাউল এবং তার স্ত্রী সীমা আক্তার। সীমা গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। তবে রেজাউল ছিলেন বেকার। কাজের কথা বললে সীমাকে মারধর করতেন তিনি। ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল ভোর ৫টার দিকে এ বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সীমাকে মাথায় আঘাত ও জবাই করে হত্যা করেন রেজাউল। পালানোর সময় বাড়ির মালিক তাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন।
এ ঘটনায় সীমার বাবা জাহিদুল ইসলাম ওই দিনই আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন রেজাউল। মামলাটি তদন্ত করে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক ওই বছরের ৩১ অগাস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।