হোম > সারা দেশ > ঢাকা

হাদি হত্যা: অস্ত্র বিক্রেতা মাজেদুল ৩ দিনের রিমান্ডে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

হাদি হত্যায় যে অস্ত্রটি ব্যবহৃত হয় সেই অস্ত্রের সরবরাহকারী ছিলেন মাজেদুল হক হেলাল। ছবি: সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার মাজেদুল হক হেলালকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই নির্দেশ দেন।

মাজেদুল হক হেলাল চট্টগ্রামের হামিদুল হক আর্মস অ্যান্ড কোম্পানির মালিক। হাদি হত্যায় যে অস্ত্রটি ব্যবহৃত হয়, সেটির সরবরাহকারী ছিলেন মাজেদুল হক হেলাল।

আজ বিকেলে তাঁকে আদালতে হাজির করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির এএসপি আব্দুল কাদির ভূঞা সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, হাদি হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি নরসিংদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এরপর ওই অস্ত্রের সিরিয়াল নম্বরের সূত্র ধরে সিআইডি জানতে পেরেছে, অস্ত্রটি ২০১৭ সালে রাজধানীর পুরানা পল্টনের এমএইচ আর্মস কোম্পানি নামের দোকান থেকে চকবাজারে ইসলাম উদ্দিন আহমেদ অ্যান্ড সন্সের কাছে বিক্রি করা হয়। সেখান থেকে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামের হামিদুল হক আর্মস অ্যান্ড কোম্পানির কাছে বিক্রি করা হয়।

সর্বশেষ কোম্পানির নামে অস্ত্রটির লাইসেন্সও করা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের পর আর লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি। এই অবস্থায় মাজেদুল হক হেলালের থেকে অস্ত্রটি আসামিদের কাছে যায়। কীভাবে অস্ত্রটি আসামিদের কাছে যায়, তা যাচাই-বাছাই করার জন্য মাজেদুল হক হেলালকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

গত ১৫ জানুয়ারি এই মামলার অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে নির্দেশ দেন আদালত। ওই দিন আদালতে নারাজি দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। নারাজি দিয়ে অধিকতর তদন্তের দাবি করেন বাদী।

নারাজি আবেদনে মামলার বাদী দাবি করেন, হাদি হত্যা মামলার মূল পরিকল্পনাকারী শনাক্ত হয়নি। এমনকি মূল রহস্যও উদ্‌ঘাটিত হয়নি।

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটভুক্ত ১৭ আসামির মধ্যে বর্তমানে ১১ জন কারাগারে রয়েছেন। প্রধান আসামি ফয়সালসহ ছয়জন পলাতক। অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর সিআইডি নতুন করে মো. রুবেল নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে। রুবেলকে দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার পর তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাঁকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই মামলায় মোট ১২ জন কারাগারে আছেন।

শরিফ ওসমান হাদিকে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে গুলি করে মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা। মাথায় গুলিবিদ্ধ হাদি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে মারা যান।

হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর গত বছর ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

নাইট কোচ কাউন্টার উচ্ছেদ কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত

মিরপুরের ১০ নারীকে যাত্রাবাড়ী এনে ধর্ষণ-ব্ল্যাকমেল করেন রাব্বি, বিয়েও করেন একই কায়দায়

মুক্ত আসর ও আমিই নজরুলের আয়োজন 'বৈশাখ মঙ্গল উৎসব'

বনানীতে ১১ তলা ভবনে আগুন, দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

শিল্প খাতে খেলাপি ঋণ ৩১ শতাংশ

আইজিপির সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

রাজধানীর বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন

উত্তরায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আড়ালে কোকেনের কারবার, গ্রেপ্তার ২

সদরঘাটে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ যুবক গ্রেপ্তার

পৃথক দুই মামলায় আ.লীগ-ছাত্রলীগের পাঁচ নেতা রিমান্ডে