প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, ‘২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথক হয়েছে। এখনো সব জায়গায় ভবন হয়নি। আমরা বিচারক দু-তিনগুণ করব, তাদের কোথায় বসাব?’
আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টে ডিজিটাল আর্কাইভিং ও ই-ফাইলিং ব্যবস্থাপনার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধান বিচারপতি।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ভার্চুয়াল কোর্ট যদি করা যায়, তাহলে বিচারকেরা বাসায় থেকে বিচারকাজ করতে পারবেন। আইনজীবীদেরও ভালোভাবে প্রশিক্ষণ নিতে হবে। তাহলে অচিরেই আমরা মামলাজট থেকে মুক্তি পাব। তা ছাড়া মামলাজট থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন।’ তিনি বলেন, ‘আগামী ৫ বছরের মধ্যে প্রযুক্তি এমন জায়গায় যাবে যে, জুডিশিয়ারিতে কোনো পেন্ডিং মামলা থাকবে না। কিন্তু এ প্রযুক্তির সৎ ব্যবহার করতে হবে এবং প্রযুক্তির ব্যবহারে আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে।’
করোনাকালের পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘করোনায় বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ ছিল। তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, “জেলখানা আমার পক্ষে কন্ট্রোল করা সম্ভব হচ্ছে না, কিছু একটা করেন। ” তারপর ভার্চুয়াল কোর্ট হওয়ার পর এক লাখ লোকের জামিন হয়েছে। একজন প্রধান বিচারপতির সময় কোর্ট বন্ধ থাকা—এর চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক আমার জীবনে বোধ হয় কোনো ঘটনা ঘটেনি। সুতরাং আমি যে কোর্ট চালু রাখতে পেরেছি, এ জন্য প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, আইনমন্ত্রী, আইসিটি উপদেষ্টা ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ।’