নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় অন্তত ৩২ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর শাহবাগে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। সেখান থেকে তাঁরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে যেতে চাইলে পুলিশ দফায় দফায় বাধা দেয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে।
পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা যমুনার সামনে পৌঁছান এবং বেলা ১১টার পর সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন। দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের সরাতে সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারের নির্দেশ দেন। একপর্যায়ে দৌড়াদৌড়ি ও হুড়োহুড়িতে আন্দোলনকারীরা আহত হন।
আহতদের কয়েকজন হলেন, আব্দুল হান্নান (৪৫) জয় দাস (৩৫) আব্দুল আউয়াল (৪০) তন্ময় (৩২) জাকারিয়া (৬০) সিকান্দার (৪০) ওসমান গনি চল্লিশ (৪০) আব্দুল্লাহ (৩১) অভিজিৎ (৩৫) আজিম উদ্দিন (৫০) সাইম (২৮) রিপন (৩২) মনসুর শামীম (৪৮) ইয়াসমিন (৪০) আব্দুল কুদ্দুস (৬০) জুয়েল (৩৪) আমিরুল ইসলাম (৩৪)।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, যমুনার সমানে থেকে প্রায় ৩২ জন আহত হয়ে হাসপাতালে এসেছে। জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।
এদিকে সংঘর্ষের ঘটনার পর যমুনা ভবন সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের সড়কে যান চলাচল সীমিত রাখা হয়। এছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।