রাজধানীর তেজগাঁওয়ে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত হয়। ময়নাতদন্ত করেন ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক আয়শা পারভীন।
এর আগে মুছাব্বিরের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হায়দার আলী।
প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার পেটের ডান পাশে আধা ইঞ্চি পরিমাণ ছিদ্র ছিল। ডান হাতের কনুইয়ের পেছনে ছিল আরেকটি ছিদ্র। এ ছাড়া বাঁ পায়ের হাঁটুতে জখম ছিল। আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে জানা গেছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গের সামনে নিহত ব্যক্তির স্ত্রী সুরাইয়া বেগম বলেন, ‘কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা বলতে পারছি না। সিসিটিভি ফুটেজ যেহেতু আছে, আশা করি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেগুলো দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। আর এ রকম ঘটনা তো ঘটছে। আগেও ঘটেছে। এখনো ঘটছে। ভবিষ্যতেও ঘটবে। সুষ্ঠু তদন্ত না হলে আমার মতো আরও অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
তেজগাঁওয়ের তেজতুরী বাজারে স্টার কাবাবের পেছনের একটি গলিতে গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুছাব্বিরকে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা কারওয়ান বাজার ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ানও গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আজিজুর রহমান মুছাব্বির। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বেশ কয়েকবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি।