রাজধানী সেগুনবাগিচায় সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে আহত সাংবাদিক ও বিএফইউজের (বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস) সাবেক নেতা রফিক ভূঁইয়া মারা গেছেন। আজ রোববার সকালে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
রফিক ভূঁইয়ার জামাতা আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন, তাঁর লাশ শমরিতা হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত দুই ছেলে দেশের পথে রয়েছেন। তাঁরা ফেরার পর দাফন করা হবে।
তিনি বিএফইউজের (বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস) নেতা ছিলেন।
গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর মাদারটেকের বাসা থেকে রিকশাযোগে জাতীয় প্রেসক্লাবে যাওয়ার সময় সেগুনবাগিচা এলাকায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পুরোনো ভবনের কাছে পুলিশের টিয়ারগ্যাসের কবলে পড়ে রিকশা উল্টে ছিটকে পড়েন তিনি।
পরে বারডেম হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক জানান, মাথায় মারাত্মক আঘাতে ভেতরে ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়েছে।
রফিক ভূঁইয়া সাংবাদিকতা শুরু করেন চট্টগ্রাম থেকে। সেখানে দৈনিক সমাচারের প্রতিনিধি ছিলেন। এরপর ঢাকায় এসেও বিভিন্ন সংবাদপত্রে কাজ করেছেন। নিজেও একাধিক সংবাদপত্র প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘদিন কানাডা প্রবাসী থাকাকালে সেখানেও সংবাদপত্র প্রকাশ করেন।
চট্টগ্রামে থাকাকালে রফিক ভূঁইয়া ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বিএফইউজের প্রথম কমিটিতে ছিলেন নির্বাহী সদস্য। চট্টগ্রাম সাংবাদিক কো-অপারেটিভ সোসাইটির প্রথম সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। সর্বশেষ ডিইউজে ও জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী ও সিনিয়র সদস্য ছিলেন।
রফিক ভূঁইয়ার জন্ম ফেনীর দাগনভূঞায় ১৯৫১ সালে। দুটি সংসারে ছেলে মেয়ে ছাড়াও অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।