চট্টগ্রামে প্রেসক্লাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাঁধায় আজ শনিবার ৩টায় পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি পালন করতে পারেননি কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। পরে তাঁরা মোমিন রোডে চেরাগী পাহাড় মোড়ে এসে জড়ো হন। সেখানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে নারী আন্দোলনকারীরা ব্যানার নিয়ে কোটা নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। পরে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
এ ঘটনায় নগরের মোমিন রোড, জামালখান ও আশপাশে সড়কগুলোতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যানবাহনের চলাচল কমে যাওয়ার পাশাপাশি দোকানপাট বন্ধ হয়ে রয়েছে। পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সন্দেহভাজনদের আটক করতে দেখা গেছে।
এর আগে বেলা সাড়ে ৩টায় জামালখানে কোটা আন্দোলনে অংশ নিতে আসা তিনজনকে আটক করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে মোহাম্মদ ইমন নামে একজন শিক্ষার্থীর নাম জানা গেছে। তিনি বেসরকারি সাউদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে পুলিশ জানিয়েছে। বাকিদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
কোটা আন্দোলনকারীদের এক পক্ষ কর্মসূচি ঘোষণা করলেও কারফিউ শিথিলের সময় সরকারবিরোধী কোনো কার্যক্রম চালানোর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার কাজী তারেক মো. আজিজ। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে ১৬ ঘণ্টার জন্য কারফিউ শিথিল রাখা হয়েছে। এ সময় কোনো সভা-সমাবেশ করার অনুমতি নেই। যদি কেউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করে, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাবে সিএমপি।