চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে। নগরের চকবাজার থানায় দায়ের হওয়া এই দুটি মামলায় কথিত যুবলীগ নেতা নূর মোস্তফা টিনু ও চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল করিমের নাম উল্লেখসহ আসামি করা হয়েছে ২৪ জনকে। অজ্ঞাতনামা আসামি ৭ / ৮ জন।
গত বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় চকবাজারের বিতর্কিত যুবলীগ নেতা টিনুসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে প্রথমে মামলা দায়ের করে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল করিমের অনুসারীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের পক্ষে মো. আনসার নামে এক ছাত্রলীগ কর্মী বাদী হয়ে পাল্টা মামলা করেন।
চকবাজার থানা সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় টিনুসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন সভাপতি মাহমুদুল করিমের অনুসারী চট্টগ্রাম কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল সায়মুন। এ মামলায় আসামি করা হয় যুবলীগ নেতা নুর মোস্তাফা টিনুসহ (৩৮) আরও ১১ জনকে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন–সিরাজুল ইসলাম ওরফে তোরাব (২২), সৌরভ উদ্দিন বাপ্পা (২৪), আমির উদ্দিন ওরফে আমির (৩২), জিয়াউদ্দিন আরমান (২৪), মো. মহিউদ্দিন ওরফে সৌরভ (১৯), মনির উদ্দিন ওরফে রেহান (২৪), আবুল কালাম (২৪), আনসার উদ্দিন (২৩), মন্টি চৌধুরী (৩২), ইমন হোসেন (২৪) ও মো. আব্দুল্লাহ (২৩)।
এ মামলায় সিরাজুল ইসলাম ও সৌরভ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পাল্টা মামলার আসামিরা হলেন—চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল করিম (৩০), আবদুল্লা আল সাইমুন (২৮), জাহিদ হাসান সাইমন (২৫), সাফায়েত হোসেন রাজু (২৬), মোস্তফা আমান (৩১), কায়েস মাহমুদ (২৭), শেফায়ুতুল করীম (২৭), কাইয়ুম (২৪), ওয়াহিদুর রহমান সুজন (২৫), মেহরাজ সিদ্দিকী পাভেল (২৬), আবু তোরাফ (২১) ও তৌহিদুল করিম ইমন (২৮)।
তবে এই মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। চকবাজার থানার ওসি আলমগীর মাহমুদ বলেন, মারামারিতে জড়িত দুই পক্ষ আলাদাভাবে মামলা করেছে। এখানে দু-পক্ষই তাদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য এমন সংঘর্ষে জড়িয়েছে। আমরা তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেব।