ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী চট্টগ্রাম যমুনা অয়েল কোম্পানির শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি মো. আবুল হোসেনকে গত ৯ আগস্ট পর্যন্ত (২০ দিন) কর্মস্থলে হাজির দেখানো হয়। ১৯ আগস্ট কোম্পানির এজিএম (টার্মিনাল) মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে।
অন্যদিকে ফৌজদারি অপরাধ কিংবা দুর্নীতির কারণে কোনো সরকারি কর্মচারী কারাগারে যাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত হন; কিন্তু এ ক্ষেত্রে তাও হয়নি।
ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, যমুনা অয়েলের অপারেটর মো. আবুল হোসেন গত ১০ থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। অথচ ২০ জুলাই (গ্রেপ্তারের দিন) থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত এই ২০ দিনের বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি ওই চিঠিতে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে যমুনা অয়েলের মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ ও বিপণন) মো. মাসুদুল ইসলাম বলেন, ‘মো. আবুল হোসেন কারাগারে আছেন বলে জানি। সবচেয়ে ভালো বলতে পারবেন ওনার পরিবারের সদস্যরা।’
কারাগারে যাওয়ার পরও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হলো না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সবই তো বোঝেন ভাই। উনি যমুনা অয়েলের একজন নির্বাচিত সভাপতি। লেখালেখি এখন একটু বাদ দেন।’
এ সময় মহাব্যবস্থাপক আরও বলেন, ‘মো. আবুল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়নি, কারণ তাঁর অনেক ছুটি জমা ছিল।’
এর আগে গত ২০ জুলাই বিকেলে নগরীর ইপিজেড থানার সিমেন্ট ক্রসিং এলাকা থেকে মো. আবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করার কথা নিশ্চিত করেন ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জামির হোসের জিয়া। তাঁর বিরুদ্ধে থানা ভাঙচুরসহ একাধিক মামলা রয়েছে। পরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।