খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় দুজন ডিলারের মাধ্যমে সপ্তাহে শুক্র ও শনিবার ছাড়া বাকি পাঁচ দিন ৮০০ পরিবারকে চার টন খাদ্যশস্য বিতরণ করা হচ্ছে। তাই ওই পাঁচ দিন কাকডাকা ভোর থেকেই চাল কিনতে ওএমএস বা খোলাবাজারে এসে লাইনে ভিড় জমায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারের নারী ও শিশুরা।
জানা গেছে, দেশব্যাপী নিম্ন আয়ের মানুষকে মূল্যসহায়তায় এবং বাজারদর স্থিতি রাখার লক্ষ্যে ন্যায্যমূল্যে ওএমএস বা খোলাবাজারে চাল বিক্রি শুরু করেছে সরকার।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার ওএমএস ডিলার মো. মাসুদ হোসেনের খাদ্যগুদামের সামনে দেখা গেছে নারী ও কিশোরদের লম্বা লাইন। এ সময় তিনি বলেন, ‘দিনে দিনে যেভাবে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ ৩০ টাকা কেজিতে জনপ্রতি পাঁচ কেজি চাল নিতে ভিড় বাড়াচ্ছে, তাতে মনে হয় প্রতিদিনের বরাদ্দ বাড়াতে হবে। এখনই দিনে তিন-চার ঘণ্টায় দুই টন চাল বিতরণ শেষ হয়ে যায়। এতে অনেক মানুষ এসে ফেরত যায়।’
তালতলার ওএমএস ডিলার উহ্লাপ্রু মারমার দোকানের সামনে সকাল ৯টায় গিয়ে দেখা গেছে শতাধিক নারী-পুরুষের লম্বা লাইন। এ সময় ডিলার বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৭টায় চাল দেওয়া শুরু করলে বেলা ১১টার আগেই দুই টন চাল বিক্রি শেষ হয়ে যায়। জনপদে নিম্ন আয়ের মানুষ বেশি হওয়ায় ন্যায্যমূল্যে খাদ্য সংগ্রহ করতে ভিড় বাড়ছে।