চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইন বিভাগের কফিল উদ্দিন সামিকে ছাত্রলীগের মারধরের ঘটনায় বিচারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা দেন শিক্ষার্থীরা। পরে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের আশ্বাসে প্রায় ঘণ্টাখানেক পর বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের তালা খুলে দেওয়া হয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের বন্ধু কফিল উদ্দিনের ওপর গতকাল অমানবিকভাবে হামলা করা হয়েছে। কফিল এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। তাদের বন্ধুর ওপর হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। নয়তো তাদের আন্দোলন আরও তীব্রতর হবে। এ সময় শিক্ষার্থীরা সুবজ ক্যাম্পাসে লাল রক্ত ঝরে কেন? অস্ত্রে ঝনঝনানি নয়, কলমের আওয়াজ চাইসহ নানা ধরনের স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. শহীদুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীরা আমাদের কাছে এসেছিলেন। তবে শিক্ষার্থীরা কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি। আমরা এ ব্যাপারে কাজ করছি। কিন্তু তারা না বুঝেই ফটকে তালা দিয়েছে। আমরা যাওয়ার পর তারা মূল ফটক খুলে দিয়েছে।
কফিলের বাবা আবুল কাশেম দুপুরে বলেন, ‘আমার ছেলের অবস্থা এখন একটু ভালোর দিকে। অনেকগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে। প্রক্টর অফিসে একটা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, গতকাল রোববার দুপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে আইন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষার্থী কফিল উদ্দিনকে মারধরের অভিযোগ উঠে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সিক্সটি নাইন গ্রুপের বিরুদ্ধে। এলোপাতাড়ি মারধরে কফিলের মাথা ফেটে যায় ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মারাত্মক জখম হয়। বর্তমানে কফিল চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।