হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাবের ক্যাম্পে ইয়াসিন বাহিনীর গুলি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব ক্যাম্পে ‘সন্ত্রাসী ইয়াসিন বাহিনীর সদস্যরা’ গুলি চালিয়েছে। ছবি: ফেসবুক

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব ক্যাম্প লক্ষ্য করে গভীর রাতে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সন্ত্রাসী ইয়াসিন বাহিনীর সদস্যরা গুলি চালিয়েছেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব। আত্মরক্ষার্থে র‍্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছুড়েছেন। তবে হতাহতের বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এর পরপর ওই এলাকায় সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের যৌথ বাহিনী অভিযান শুরু করেছে।

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান রাত সাড়ে ৩টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো খুদে বার্তায় এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসী ইয়াসিন গ্রুপ রাতের অন্ধকারে পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ ক্যাম্পে হামলা চালায়। এ সময় আমরা নন-লিথাল অস্ত্র ব্যবহার করে প্রতিরোধ গড়ে তুলি। এরপর সন্ত্রাসীদের সঙ্গে দুই ঘণ্টা ধরে গুলিবিনিময় চলে। পরে পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।’

জানা গেছে, হামলার পর স্থানীয় লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় এখনো হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ-ফৌজদারহাট সংযোগ সড়ক ধরে এগোলে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের বিপরীত দিকে একটি সড়ক ঢুকে গেছে পাহাড়ের ভেতরে। সেই পথেই শুরু সলিমপুর। জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর, মূলত দুটি অংশে বিভক্ত এলাকাটি। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এখানে ৩ হাজার ১০০ একর খাসজমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে বিভিন্ন ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী।

প্রথমবারের মতো গত ৯ মার্চ সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) প্রায় ৩ হাজার ২০০ সদস্য যৌথ অভিযান চালিয়ে এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেন। এর আগে বিভিন্ন সময় চেষ্টা করেও এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব হয়নি। উল্টো অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এবার অভিযানের পর সন্ত্রাসীরা গা ঢাকা দিয়েছে। এ অবস্থায় জঙ্গল সলিমপুরের এস এম পাইলট উচ্চবিদ্যালয় ও আলীনগর উচ্চবিদ্যালয়ে র‍্যাব-পুলিশের সমন্বয়ে পৃথক দুটি চৌকি বসানো হয়েছে।

প্রথমবারের মতো গত ৯ মার্চ সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও বিজিবির প্রায় ৩ হাজার ২০০ সদস্য যৌথ অভিযান চালিয়ে এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেন। এর আগে বিভিন্ন সময় চেষ্টা করেও এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব হয়নি। উল্টো অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

৯ মার্চের যৌথ অভিযানে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও ইয়াসিন বাহিনীর প্রধান মো. ইয়াসিন, রোকন বাহিনীর প্রধান রোকন উদ্দিন; মশিউর রহমান, নুরুল হক ভান্ডারি, গাজী সাদেক, গোলাম গফুরসহ কয়েকজন ‘সন্ত্রাসী’ এখনো পলাতক।

চন্দনাইশে অগ্নিকাণ্ডে ৩ পরিবারের বসতঘর ভস্মীভূত

সার্কিট হাউসে নেই চুয়েট উপাচার্য, ২৫ দিনেও অচলাবস্থা কাটেনি

জঙ্গল সলিমপুরে উচ্ছেদ আশঙ্কায় বিক্ষোভ, পুলিশ-বিজিবির লাঠিপেটা

কর্ণফুলীতে গভীর নলকূপ বরাদ্দের নামে টাকা দাবি, সতর্ক করল প্রশাসন

কমিশন-চার্জ নিয়ে বিরোধ, চট্টগ্রামে ফুডপান্ডা বয়কট অব্যাহত রাখার ঘোষণা

চা-বাগান কর্মকর্তার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আরও দুজনকে পুলিশে দিল জনতা

ফটিকছড়িতে চা-বাগান কর্মকর্তাকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই, আটক ২

চট্টগ্রামে সাংবাদিককে জিম্মি করে ৭০ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

চট্টগ্রামে গাড়ি-ভ্যানের ধাক্কা, বিরোধের জেরে প্রতিমার শিল্পালয়ে হামলা

শাহ আমানত বিমানবন্দরের রানওয়েতে চুরির ঘটনায় আটক ১