ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিনে বের হওয়া একজনের নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে কৌশলে পালিয়ে গেছেন হৃদয় (২৮) নামে হত্যা মামলার এক আসামি। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ডেপুটি জেলার, কারারক্ষীসহ আটজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে দুটি তদন্ত কমিটি। পালিয়ে যাওয়া আসামিকে আবার গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আসামি হৃদয় জেলার কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার মুজিবুর মিয়ার ছেলে। গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫২ মিনিটে তিনি কারাগার থেকে পালিয়ে যান। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় শনিবার সন্ধ্যার পর।
এ ঘটনায় চট্টগ্রামের কারা উপমহাপরিদর্শক মো. ছগির মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে কারা অধিদপ্তর। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আক্তারকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসক বরাবর প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
কারা সূত্রে জানা যায়, কসবা উপজেলার একটি হত্যা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন হাজতের পরোয়ানামূলে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর জেলা কারাগারে যান হৃদয়। গত ২৯ জানুয়ারি দুপুরে জামিনে কারামুক্ত নবীনগর থানার একটি মামলার আসামি দিদার হোসেনের নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে জামিনপ্রাপ্ত অন্য বন্দীদের মুক্তি দেওয়ার সময় কৌশলে পালিয়ে যান হৃদয়।
চট্টগ্রামের কারা উপমহাপরিদর্শক মো. ছগির মিয়া বলেন, অন্য আসামির জামিনের কাগজ দেখিয়ে হৃদয় কৌশলে পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারের জেলার মনজুরুল ইসলাম বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় মামলা করেছেন। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এক ডেপুটি জেলার, কারারক্ষীসহ আটজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।