আখাউড়ায় কালবৈশাখীতে বিভিন্ন এলাকার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ভেঙে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় কৃষক রিমন মিয়া জানান, ঝড়ের কারণে পাকা ধান পানিতে নুয়ে পড়েছে। ফলে তাঁদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।
এ ছাড়া নারায়ণপুর পূর্বপাড়ায় শের আলী শাহ জামে মসজিদের ওপর একটি বড় গাছ ভেঙে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। এতে মসজিদের অবকাঠামোর বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্থানীয় লোকজন দ্রুত গাছ অপসারণে কাজ করছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে।
মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফেজ মাওলানা রাজিবুল হাসান জানান, সকালে ঝড়ের তাণ্ডবে মসজিদের ওপর একটি বড় গাছ পড়ে। এতে মসজিদের ভেতরে থাকা প্রয়োজনীয় আসবাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলম বলেন, ‘ঝড়ে আখাউড়ায় প্রায় ১০০ হেক্টর ধানখেত এবং ১০ হেক্টর অন্যান্য ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমাদের মাঠপর্যায়ের কর্মীরা ইতিমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ শুরু করেছেন। কোথাও বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
আখাউড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম জহির আব্বাস খান বলেন, ‘ঝড়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে। এ ছাড়া উপড়ে পড়া গাছপালা বিদ্যুৎ লাইনের ওপর পড়ে থাকায় সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। ঝড় থামার পর থেকে আমাদের টিম মাঠে কাজ করছে এবং দ্রুত বিদ্যুৎ-সংযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।’