ভোলার লালমোহনে ঝড়ের কবলে পড়ে মাছ ধরার ট্রলারে ডুবিতে নিখোঁজ ৭৫ জেলে জীবিত উদ্ধার হয়েছে। এদিকে এফভি লামিয়ার মালিক হারুন অর রশিদ ফারুকে ট্রলারে জেলে একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ জেলে উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নে চতলা গ্রামের আবদুল শরীফের ছেলে আবুল কালাম।
আজ রোববার দুপুর ২টা পর্যন্ত জীবিত ৭৫ জেলে উদ্ধারের এ তথ্য জানিয়েছে লালমোহন মৎস্য অফিস।
লালমোহন উপজেলার মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা তানভির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ট্রলার ডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিখোঁজ ৭৫ জেলে জীবিত উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু ফারুক মিয়া নামে ট্রলারের এক জেলে এখনো নিখোঁজ আছেন। উদ্ধার হওয়া সকল জেলেদের বাড়ি উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়ন ও ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজার ফিশিং গ্রাউন্ড এলাকায় ৪টি ট্রলার ঝড়ের কবলে পড়ে। নিখোঁজ ট্রলারগুলো হলো, লালমোহন বাতির খাল এলাকার হারুন অর রশিদ ফারুকে এফভি লামিয়া, লর্ডহার্ডিঞ্জ বুড়িরধোন এলাকার নূরুউদ্দিন মাঝির ট্রলার ও গাইট্টা এলাকার নাজিম উদ্দিন মাঝির ট্রলারসহ আরও একটি ট্রলার ডুবে বলে খবর পাওয়া যায়। এ সকল ট্রলারের ১৩ জেলে অন্য ট্রলারের সহায়তায় সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় উদ্ধার হয়েছেন।