কাশ্মীরি জাতের কুল চাষে সফলতা পেয়েছেন গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর গ্রামের কৃষক ফেরদাউজ। তাঁর সফলতায় আরও চাষি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন এই জাতের কুল চাষে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এই অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া বিদেশি জাতের এই কুল চাষের উপযোগী হওয়ায় সাফল্য পেয়েছেন ফেরদাউজ। আগামীতে এই অঞ্চলে কুল চাষ আরও বাড়ার আশা করছেন তাঁরা।
খাঞ্জাপুর গ্রামের কুল চাষি ফেরদাউজ হাওলাদার জানান, ছোটবেলা থেকেই কৃষিকাজের প্রতি তাঁর আগ্রহ। বরজ, বোরো ধান ও মাছ চাষ করে আসছিলেন। সাত মাস আগে কুল চাষের প্রতি আগ্রহ থেকেই বিভিন্ন জায়গায় উন্নত কাশ্মীরি কুলের চারা খুঁজতে থাকেন। ফেরদাউজ বলেন, ‘অবশেষে বগুড়া থেকে উন্নত জাতের ৮২০টি কাশ্মীরি কুল চারা সংগ্রহ করি। পরে মাছের ঘেরের পাশে কুলের চারা রোপণ করি। সঠিক পরিচর্যা করায় চারা রোপণের ৪-৫ মাসের মধ্যেই ফুল আসতে শুরু করে।’ তিনি আরও জানান, চারা রোপণ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত তাঁর তিন লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে। কাশ্মীরি কুল ও আপেল কুল আছে তাঁর বাগানে। প্রথম বছরেই গাছে যে ফলন হয়েছে এবং কলমের চারার বিক্রির যে চাহিদা তৈরি হয়েছে, তাতে খরচ বাদ দিয়ে এ বছরই লাভবান হতে পারবেন বলে আশা করছেন।
গৌরনদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মামুনুর রহমান জানান, উচ্চফলনশীল এসব কুল চাষ করে এ অঞ্চলের কৃষকেরা বেশ লাভবান হচ্ছেন। এখানকার আবহাওয়া এ ধরনের কুল চাষের উপযোগী হওয়ায় সফলতা পাচ্ছেন কৃষকেরা।’