হোম > সারা দেশ > বরগুনা

মেয়ে ধর্ষণের শিকার, মামলার ১০ দিনের মাথায় বাবাকে হত্যা

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

প্রতীকী ছবি

বরগুনায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন মেয়েটির বাবা। এবার সেই বাদীর লাশ পাওয়া গেল বাড়ির কাছের একটি ঝোপে। বাড়ির পাশে ঝোপ থেকে কাদামাখা অবস্থায় বাদীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনা ঘটেছে গতকাল মঙ্গলবার রাতে বরগুনা পৌর শহরে।

বাদীর স্ত্রী বলেন, ‘ধর্ষণ মামলার ১ নম্বর আসামি শ্রীজিৎ জেলহাজতে আছে। বুধবার জামিন শুনানির দিন ছিল। ওই আসামির বন্ধু ও তার স্বজনেরা আমার স্বামীকে হত্যা করতে পারে।’

ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী বরগুনা বাজারে ব‌্যবসা করেন। মঙ্গলবার রাতে বাড়ি ফিরতে দেরি হলে তাঁর স্ত্রী ফোন দিলেও সাড়া পাচ্ছিলেন না। পরে পুকুরপাড়ে তাঁর মোবাইল ফোনের রিংটোনের শব্দ শুনে গিয়ে দেখেন, ঝোপের মধ‌্যে মরদেহ পড়ে আছে। বাদীর পরনের কাপড় ছিল ভেজা, হাতে কামড়ের দাগ ও সারা শরীরে কাদা মাখা। পরে পরিবারের সদস্যরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

পরিবারের ভাষ্য, ২ মার্চ বাদীর স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে শ্রীজিৎ নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় মেয়ের বাবা বাদী হয়ে শ্রীজিৎকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন। ওই মামলায় আসামি শ্রীজিৎ জেলহাজতে রয়েছেন। আসামির স্বজনেরা তাঁকে হত্যা করতে পারে।

বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, মরদেহ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল হালিম বলেন, প্রাথমিকভাবে এটা হত্যাকাণ্ড হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

বরগুনায় বিদ্যুতায়িত হয়ে ছেলের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে

পাথরঘাটায় জমির বিরোধে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর, আহত ৭

ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক চার লেন করার দাবিতে দুই দিন ধরে গণ-অনশন

আমতলীতে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২

বরগুনার আমতলী: জ্বালানিসংকট দেখিয়ে বন্ধ কৃষি রেডিও

বরগুনায় ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়ছে, ৩২ ঘণ্টায় ৭২ জন হাসপাতালে ভর্তি

অসচেতনতায় ডেঙ্গুর পর হামেও শীর্ষে বরগুনা

আমতলীতে বাসচাপায় এক ব্যক্তি নিহত

পাথরঘাটায় বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আহত অন্তত ২৫, ভ্যাকসিন সংকটে ভোগান্তি

টেংরাগিরি কুমির প্রজনন কেন্দ্র: ১৩ বছরে বাঁচেনি একটি ছানাও