হোম > সারা দেশ > বান্দরবান

রোহিঙ্গারা আরাকানের জমি পাবে: আরসাপ্রধান আতাউল্লাহ

বান্দরবান প্রতিনিধি

আরসাপ্রধান আতাউল্লাহকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে বান্দরবানের আদালতে আনা হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) প্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনি বলেছেন, রোহিঙ্গারা আরকানের জমি পাবে।

আজ সোমবার দুপুরে বান্দরবান আদালতে তোলার পর সাংবাদিকদের উদ্দেশে রোহিঙ্গা ভাষায় এসব কথা বলেন আতাউল্লাহ। সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস (রোহিঙ্গাদের জন্য) যা করছে, সে জন্য বাংলাদেশের সবাইকে শুকরিয়া।’

আজ আরসাপ্রধান আতাউল্লাহকে একটি মামলার শুনানির জন্য কড়া নিরাপত্তায় প্রথমে বান্দরবানের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তোলা হয়। পরে তাঁকে অন্য মামলার শুনানির জন্য বান্দরবান চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। উভয় আদালতের বিচারকেরা শুনানি শেষে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আতাউল্লাহকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে আনা হয়। আদালত চত্বরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তাঁকে আদালতে আনা-নেওয়ার সড়কগুলোয় সাময়িক সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

বান্দরবান চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, আরসাপ্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনিকে বান্দরবানে আদালতে তোলার পর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

১৮ মার্চ নারায়ণগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করে আতাউল্লাহসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আরসাপ্রধানের বিরুদ্ধে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তমব্রু সীমান্তে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযানকালে গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রিজওয়ান রুশদী হত্যা মামলা এবং নাইক্ষ্যংছড়িতে র‍্যাবের এক সদস্যকে আহত করার মামলা রয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবি-চোরাকারবারি সংঘর্ষ, আহত ৩

বান্দরবানের থানচি: সাঙ্গুর পাথর অবাধে লুট

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণ, পা উড়ে গেছে কাঠুরিয়ার

বান্দরবানে গহিন অরণ্যে ৪৩ একর পপিখেত ধ্বংস‎

বান্দরবানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি, নিহত ১

থানচিতে এয়ার কম্প্রেসার বিস্ফোরণে শ্রমিক নিহত

বান্দরবানে ৬৩ কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে ধানের শীষ

বান্দরবানের ১৮৭ ভোটকেন্দ্রের ১৫৮টি ঝুঁকিপূর্ণ

বান্দরবানের থানচি: জীর্ণ শ্রেণিকক্ষ, ভোগান্তি

বান্দরবানের থানচি: নতুন স্কুলভবনও ‘পরিত্যক্ত’