হোম > সারা দেশ > বাগেরহাট

পূর্ব সুন্দরবনে হরিণ ধরার ফাঁদসহ একজন আটক

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

পূর্ব সুন্দরবনে হরিণ ধরার ফাঁদসহ এক শিকারিকে আটক করেছেন বনরক্ষীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

পূর্ব সুন্দরবনে হরিণশিকারিদের অপতৎপরতা থেমে নেই। আজ সোমবার সুন্দরবনের কচিখালী অভয়ারণ্য এলাকার ফাঁদ পেতে হরিণ শিকারের সময় একজনকে আটক করেছে বনরক্ষীরা। এ সময় অপর দুই শিকারি পালিয়ে যায়। জব্দ করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ ফাঁদ।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের স্মার্ট টিম লিডার ফরেস্টার দিলীপ মজুমদারের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা আজ (সোমবার) সকালে টহলের সময় কচিখালী অভয়ারণ্য কেন্দ্রের বাহির সুখপাড়া খাল এলাকার বনে হরিণ ধরার জন্য ফাঁদ পেতে অপেক্ষারত তিন শিকারিকে দেখতে পান।

শিকারিরা বনরক্ষীদের দেখতে পেয়ে বনের মধ্যে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। বনরক্ষীরা শিকারিদের ধাওয়া দিয়ে আরিফুল ইসলাম দুলাল (৪০) নামের এক শিকারিকে আটক করতে সক্ষম হন।

আটক শিকারির বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কোরাইল্যা গ্রামে বলে জানান বনরক্ষীরা। অপর দুই শিকারি বনের ভেতরে পালিয়ে যায়। বনরক্ষীরা ঘটনাস্থল থেকে ৩০০টি হরিণ ধরা মালা ফাঁদ, ছুরি, করাতসহ বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করেন।

জানা যায়, পূর্ব সুন্দরবনে হরিণশিকারিদের অপতৎপরতা থেমে নেই। বনরক্ষীরা সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায়ই হরিণ শিকারের ফাঁদ উদ্ধার করছেন। বর্তমানে সুন্দরবনের কচিখালী, সুখপাড়া, চান্দেশ্বরসহ আশপাশের এলাকা হরিণ শিকারের হটস্পট বলে বনসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) রানা দেব বলেন, সুন্দরবনে ফাঁদসহ আটক হরিণশিকারির বিরুদ্ধে বন মামলা দায়ের করে তাঁকে বাগেরহাট আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে।

কুকুরটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত ছিল, ইচ্ছে করে কুমিরের মুখে দেওয়া হয়নি: তদন্ত কমিটি

খানজাহান আলীর মাজার: কুমিরের মুখে কুকুর তদন্তে কমিটি, জিডি

চিতলমারীতে বিশুদ্ধ পানির সংকটে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী

সুন্দরবন: দস্যু আতঙ্কে কমছে মৌয়াল

ঘেরের মাছ চুরির অভিযোগে হাত-পা ভেঙে চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা

ফকিরহাটে পৃথক তিন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ২

সুন্দরবনে মালা ফাঁদসহ হরিণ শিকারি আটক

৮ হাজার একর জমির ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা, কৃষকদের মানববন্ধন

মোংলা বন্দরের ইনারবার খনন প্রকল্প: এক বছরের কাজ পাঁচ বছরে

বাগেরহাটে বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে সেবা পেলেন ৫ হাজার মানুষ