হোম > বিশ্লেষণ

বিশ্লেষকদের ভুল প্রমাণ করে ইসরায়েলের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে আরবরা

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

আরব লিস্ট জোটের নেতা ইউসেফ জাবেরিন এবং রা’আম পার্টির নেতা মনসুর আব্বাস। ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনের রাতে মানসুর আব্বাসকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আরব দলগুলোর সঙ্গে কাজ করার জন্য গাদি আইজেনকট যে শর্ত দিয়েছেন, সে বিষয়ে তাঁর মত কী? জবাবে ইসরায়েলি আবরদের দল রা’আমের নেতা বলেন, আগে দেখতে হবে সরকার গঠন করা সম্ভব কি না। তারপর শর্ত নিয়ে আলোচনা করা যাবে।

ইসরায়েলি চ্যানেল ১৬-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আব্বাস প্রথমে আসনসংখ্যার হিসাবকে গুরুত্ব দেন। কারণ, তখন বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের নির্বাচনী পূর্বাভাসে ভিন্ন ভিন্ন চিত্র উঠে আসছিল। আব্বাস বুঝতে চাইছিলেন, তাঁর দল এবং দলের ভোটারদের সামনে কী কী সম্ভাবনা রয়েছে। দর-কষাকষিতে তাঁর প্রভাব থাকতে পারে। আবার চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যেতে পারে, তাঁর হাতে তেমন কোনো সুযোগই নেই।

বিদেশে ইসরায়েলের আরব নাগরিকদের নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে প্রায়ই তাঁদের নিজেদের রাজনৈতিক মতামত ও বিতর্ককে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। কখনো তাঁদের ইসরায়েলি ‘গণতন্ত্রের প্রমাণ’ হিসেবে তুলে ধরা হয়, আবার কখনো তাঁদের প্রতি বৈষম্যের বিষয়টি সামনে আনা হয়। অথচ তাঁদের রাজনৈতিক দলগুলো কীভাবে প্রভাব বাড়াবে, কী দাবি জানাবে এবং সমর্থকেরা কতটা আপস মেনে নেবেন, তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে।

এসব রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কিছু বিষয় ইসরায়েলের ইতিহাসও বদলে দিয়েছে। ২০২১ সালে নাফতালি বেনেত ও ইয়ার লাপিদের নেতৃত্বে গঠিত জোট সরকারে অংশ নিয়েছিল রা’আম। ওই সরকারকে টিকিয়ে রাখতে দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। সরকারটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইসরায়েলের ডানপন্থী রাজনীতির এক নেতা।

এবারের নির্বাচনেও আরব দলগুলো সরকার গঠনের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তিনটি টেলিভিশন চ্যানেলের পূর্বাভাসে দেখা গিয়েছে, নেতানিয়াহুর জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না। তবে চ্যানেল ১৪-এর হালনাগাদ পূর্বাভাসে তাঁর জোটকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে দেখা যায়। এগুলো কেবল পূর্বাভাস, সরকারি ফলাফল নয়।

ইসরায়েলের পার্লামেন্টে মোট আসন ১২০ টি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১ টি। একজন আরবের ভোটও একজন ইহুদি নাগরিকের ভোটের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। এই ভোটের ওপর নির্ভর করে সরকার গঠিত হতে পারে। আবার পার্লামেন্টে সমর্থন হারালে সরকারের পতনও ঘটতে পারে। তাই আন্তর্জাতিক পরিসরে ইসরায়েলের রাজনীতি ব্যাখ্যা করতে গেলে আরব নাগরিকদের এই রাজনৈতিক ক্ষমতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

‘অ্যাপার্থাইড’ বা বর্ণবৈষম্য শব্দটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা দরকার। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইসরায়েলের পাশাপাশি অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডেও বর্ণবৈষম্য চালানোর অভিযোগ তুলেছে। সংস্থাটির প্রতিবেদনে ইসরায়েলের পার্লামেন্টে আরবদের প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইসরায়েলের আরব নাগরিকদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অধিকার থাকলেই পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি দখলদারত্বের অধীনে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের পরিস্থিতির সমাধান হয়ে যায় না। তাঁদের আইনি ও রাজনৈতিক অবস্থান আলাদা। একইভাবে, ইসরায়েলের ভেতরে আরব নাগরিকদের প্রতি বৈষম্যের বিষয়টিও উপেক্ষা করা যায় না। এসব বিষয় আলাদাভাবে বিচার করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে এটিও মনে রাখতে হবে, ইসরায়েলের আরব নাগরিকেরা রাজনৈতিক দল গঠন করছেন, পার্লামেন্টে আসন জিতছেন এবং সরকার কীভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে আলোচনা করছেন। এটিও দেশটির গণতান্ত্রিক বাস্তবতার অংশ। আরব দলগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্য রয়েছে। মানসুর আব্বাস চান, তাঁর দল রা’আম সরাসরি সরকারে অংশ নিক। অন্যদিকে, হাদাশ, তা’আল ও বালাদকে নিয়ে গঠিত জয়েন্ট লিস্ট নেতানিয়াহুর পরিবর্তে গঠিত কোনো সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করতে চায়।

জোটটির নেতা ইউসেফ জাবারিন অপরাধ দমনে অর্থায়ন ও তদারকির ব্যবস্থা রেখে একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। তবে যুদ্ধ ও ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের বাজেটসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে তিনি আপস না করার অবস্থান জানিয়েছেন। এই মতপার্থক্যগুলো মিটিয়েই দুই পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শুধু নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর বিষয়ে একমত হলেই পরবর্তী সরকারের নীতি নিয়ে ঐকমত্য তৈরি হবে না।

রা’আম আরেকটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে। দলটি ইয়োভ সেগালোভিৎসকে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি একজন ইহুদি, ইয়েশ আতিদ দলের সাবেক এমপি এবং একসময় ইসরায়েলের জাতীয় গুরুতর অপরাধ দমন ইউনিটের প্রধান ছিলেন।

ইসলামপন্থী ও রক্ষণশীল শিকড়সম্পন্ন রা’আমে তাঁর যোগদান পুলিশি ব্যবস্থা, রাজনৈতিক সহযোগিতা এবং দলটির পরিচয় নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। ভোটারদের কেউ এই সিদ্ধান্তকে সম্ভাবনাময় মনে করতে পারেন, কেউ ভুল সিদ্ধান্ত ভাবতে পারেন, আবার কেউ মনে করতে পারেন, এই সহযোগিতা বেশিদিন টিকবে না। সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাঁদেরই। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এমন একটি রাজনৈতিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা দূর থেকে অসম্ভব বলে মনে হতে পারে।

ইহুদি দলগুলোর মধ্যেও মতপার্থক্য

ইহুদি দলগুলোর মধ্যেও এ বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে গাদি আইজেনকট এক সাক্ষাৎকারে আরব দলগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক সহযোগিতার কয়েকটি শর্ত তুলে ধরেন। তাঁর শর্ত ছিল, ইসরায়েলকে ইহুদি ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকার করতে হবে, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মূল্যবোধ মেনে নিতে হবে, নাগরিকদের সেবা করার বাধ্যবাধকতা গ্রহণ করতে হবে এবং হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে স্বীকার করতে হবে, যেটিকে ধ্বংস করতে হবে।

আইজেনকট বলেন, তাঁর মতে কোনো আরব দলই এসব শর্ত পূরণ করে না। পরে অক্টোবরে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা একটি পডকাস্টে তিনি আরব কোনো দলের সঙ্গে জোট করার সম্ভাবনা নাকচ করে দেন।

এসব প্রশ্ন সরকার পরিচালনার দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৭ অক্টোবরের হামলার পর হামাস নিয়ে মতপার্থক্য সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে যাঁরা দেশের নিরাপত্তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেন, তাঁদের প্রতি নাগরিকদের আস্থার প্রশ্নও এর সঙ্গে জড়িত। সরকারে অংশ নিতে চাওয়া আরব নেতাদের নিজেদের বক্তব্য ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে কঠোর প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। তাঁদের সম্ভাব্য জোটসঙ্গীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হওয়া উচিত। তাঁদের প্রস্তাবগুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে, তবে আগেই ধরে নেওয়া যাবে না যে সেগুলো মেনে নিতে হবে।

এই অবিশ্বাসের পেছনে অতীতের কিছু ঘটনাও রয়েছে।

২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি নিবন্ধে বালাদ দলের চেয়ারম্যান ও সাবেক পার্লামেন্ট সদস্য সামি আবু শেহাদেহ ৭ অক্টোবরের হামলার কৌশলগত গুরুত্ব এবং এর সম্ভাব্য রাজনৈতিক লাভ নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। কিন্তু বেসামরিক মানুষ হত্যা ও অপহরণের নিন্দা জানাননি। পরে তিনি গণহত্যার নিন্দা জানান। তিনি বলেন, হামলার নৃশংসতার পুরো চিত্র জানার আগেই নিবন্ধটি লিখেছিলেন। তিনি আরও বলেন, নিবন্ধটি ওইভাবে প্রকাশ করা উচিত হয়নি।

২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর রা’আমের পার্লামেন্ট সদস্য ইমান খতিব-ইয়াসিন শিশু হত্যা ও নারীদের ধর্ষণের খবর নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, এ বিষয়ে আলোচনার সময় সংশ্লিষ্ট ভিডিওচিত্র তিনি দেখেননি। একই সাক্ষাৎকারে তিনি হামলাটিকে অমানবিক, ইসলামের পরিপন্থী এবং কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয় বলে নিন্দা জানান। সেদিন সন্ধ্যায় তিনি নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চান এবং বক্তব্য প্রত্যাহার করেন। মানসুর আব্বাসও গণহত্যার ঘটনাকে ছোট করে দেখানোর বিরোধিতা করেন এবং খতিব-ইয়াসিনের পদত্যাগ দাবি করেন।

এই মন্তব্যগুলো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেগুলোর বিরুদ্ধে দেওয়া প্রতিক্রিয়াগুলোও ইতিহাসের অংশ।

রা’আমকে সরকারে রাখা নিয়ে বেনেত ও গোলানের ভিন্ন অবস্থান

২০২১ সালে যে সরকারে রা’আম অংশ নিয়েছিল, সেই সরকারের নেতৃত্বে ছিলেন নাফতালি বেনেত। কিন্তু এখন তিনি একই ধরনের জোট গঠনের বিরোধিতা করছেন। বেনেতের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর আপত্তির কারণ রা’আমের সদস্যদের জাতিগত পরিচয় নয়, বরং দলটির অ-জায়নবাদী রাজনৈতিক অবস্থান। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটস দলের নেতা ইয়ার গোলান রা’আমকে জোট সরকারে নেওয়ার পক্ষে।

এই দুই অবস্থানেরই প্রভাব রয়েছে সম্ভাব্য সরকার গঠন এবং সে জন্য প্রয়োজনীয় সমঝোতার ওপর। শুধু আসনসংখ্যা দিয়ে এই মতপার্থক্য বোঝা সম্ভব নয়। কোনো নির্দিষ্ট সরকারে আরব দল অংশ নেবে কি না, তা নির্ভর করে কার্যকর সমঝোতা, সরকারের নীতি এবং জোটের অংশীদারদের মধ্যে আস্থা বজায় রাখার ওপর।

কোনো দল আরব দলের সঙ্গে জোট করতে না চাইলে, শুধু সেই কারণে তাকে বর্ণবাদী বলা যায় না। একইভাবে, ইসরায়েলের কোনো আরব নাগরিকের রাজনৈতিক অধিকার বা গ্রহণযোগ্যতা এই শর্তে নির্ভর করতে পারে না যে তাঁকে এমন দল বেছে নিতে হবে, যেটি ইহুদি সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর পছন্দ।

গণতন্ত্রে এই পার্থক্যগুলো স্পষ্ট রাখা জরুরি, বিশেষ করে নির্বাচনের ফলাফল যখন এসব বিষয়কে সামনে নিয়ে আসে। জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্ন ইসরায়েলের দৈনন্দিন জীবনেও প্রভাব ফেলে। রাস্তার নিরাপত্তা, সরকারি পরিষেবা এবং নাগরিকদের একে অপরের প্রতি দায়িত্ববোধ, সবকিছুর সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। এসব বিষয়ে রাজনৈতিক কৌশল কী হবে, তা নিয়ে আরব দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য আছে। দেশের চরিত্র কেমন হবে এবং রাজনৈতিক সহযোগিতার জন্য কতটা আপস করতে হবে, তা নিয়েও ইহুদি দলগুলোর মধ্যে বিতর্ক রয়েছে।

কোনো একজন নেতা পুরো একটি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করেন না। একইভাবে, একজন ভোটারের পরিচয় জানলেই বোঝা যায় না, তিনি গোপন ব্যালটে কাকে ভোট দিয়েছেন বা কেন সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আসনসংখ্যার বাইরেও গণতন্ত্রের পরীক্ষা

মানসুর আব্বাস প্রথমেই জানতে চেয়েছিলেন, সরকার গঠন করা সম্ভব কি না। শেষ পর্যন্ত তিনি জোট সরকারের অংশ হতে পারেন, বাইরে থেকে সরকারকে সমর্থন দিতে পারেন, অথবা বিরোধী দলে থাকতে পারেন। এসব সম্ভাবনার যেকোনোটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বাস্তবায়িত হতে পারে।

মূল প্রশ্ন হলো, ইসরায়েল নির্বাচনের ফলাফলকে দায়িত্বশীল সরকার পরিচালনায় রূপ দিতে পারবে কি না এবং একই সঙ্গে সেই নাগরিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করতে পারবে কি না, যাঁদের প্রতিনিধিরা সরকারে জায়গা পাননি।

ভবিষ্যতের জন্য এমন একটি ইসরায়েল কল্পনা করা প্রয়োজন, যেখানে গুরুতর মতপার্থক্যগুলো রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আলোচনা করা হবে। যেখানে কোনো জোট ভেঙে গেলেও বা কোনো দল নির্বাচনে হেরে গেলেও সমান নাগরিকত্বের নীতি অক্ষুণ্ন থাকবে।

নির্বাচনের রাতে সবার মনোযোগ থাকে মন্ত্রিসভার টেবিলে কারা বসবেন, সেই হিসাবের দিকে। কিন্তু একটি দেশের গণতন্ত্র শুধু তাঁদের ওপর নির্ভর করে না, যাঁরা ক্ষমতার টেবিলে জায়গা পান। গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি নির্ভর করে তাঁদের অধিকার ও মর্যাদার ওপরও, যাঁদের সেই টেবিলে কোনো আসন নেই।

সূত্র: জেরুসালেম পোস্ট

দিনে দিনে কেন ছোট হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিয়ের আয়োজন

রাজপথের লড়াকু শ্রমিক নেতা থেকে প্রেসিডেন্ট: ব্রাজিলে লুলার প্রত্যাবর্তন যে কারণে ঐতিহাসিক

ভুট্টো কেন নিজেকে ভারতীয় নাগরিক প্রমাণে মরিয়া ছিলেন

যে পাঁচ উপায়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি বদলে দিয়েছেন ট্রাম্প

প্রথম দফায় হেরেও দ্বিতীয় দফায় কীভাবে জিতলেন ব্রাজিলের লুলা

মার্কিন নির্বাচনের পর ইরানে হামলার কৌশলও কেন কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে না

ইউক্রেনকে পঙ্গু করতে রাশিয়ার ‘হিট লিস্টে’ যেসব স্থাপনা

মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ: এর মানে কী

১০ দিনে ৪ মহাদেশে ৪ নির্বাচন, বড় পরীক্ষার মুখে গণতন্ত্র

ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে জাতিসংঘ: প্রথম নারী মহাসচিবের সম্ভাবনা, প্রার্থী যাঁরা