হোম > নারী > আইনি পরামর্শ

জন্মনিবন্ধন করতে সিটি করপোরেশনের সাহায্য নিতে পারেন

ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন

প্রশ্ন: মা-বাবা যার সঙ্গে আমাকে বিয়ে দিয়েছিল, তাকে আমার পছন্দ ছিল না বলে গাজীপুর কোর্ট থেকে ডিভোর্স দিই। পরে সেখানেই পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করি। সে সময় আমার জন্মনিবন্ধন কার্ড ছিল হাতে লেখা। ভোটার আইডি কার্ড হয়নি। দ্বিতীয় বিয়ে করলে আমার মা-বাবা ও প্রথম স্বামী দ্বিতীয় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করে। তবে আইনগতভাবে সবকিছু মিটমাট হয়ে গেছে।

বর্তমান সংসারে আমার তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে। মা-বাবার অনলাইন জন্মনিবন্ধন বা ভোটার আইডি কার্ড আমার কাছে না থাকায় আমার ও মেয়ের অনলাইনে জন্মনিবন্ধন করতে পারছি না। মা-বাবা সেগুলো আমাকে দিচ্ছে না। কোনো রকম যোগাযোগ করলে তারা আমার মোবাইল ফোন নম্বর ব্লক করে দেয়। নিজের পছন্দে বিয়ে করেছি বলে তারা আমাকে কোনো কাগজপত্র দিয়ে সহায়তা করছে না। আমি এখন কী করতে পারি?
ফাইরুজ জান্নাত, কুষ্টিয়া

উত্তর: এ ক্ষেত্রে আপনার মা-বাবার সঙ্গে দেখা করে তাঁদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজ বুঝে নিতে পারেন। এতে কাজ না হলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের সহায়তায় মা-বাবার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তুলে নিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আইনি কোনো জটিলতা নেই। যেহেতু জন্মনিবন্ধন করতে আপনার   মা-বাবার জন্মনিবন্ধনের কাগজ প্রয়োজন, তাই সিটি করপোরেশন থেকে আপনি সাহায্য পাবেন। তাতেও কাজ না হলে পুলিশ প্রশাসনের সাহায্য নিতে পারেন।

পরামর্শ দিয়েছেন,ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন,অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে সম্ভব নয়

শরিয়তি ফারায়েজ অনুযায়ী মেয়ের সন্তান নানার সম্পত্তির সরাসরি ওয়ারিশ হয় না

শুধু চিঠিতে তালাক লিখে দিলেই তালাক সম্পূর্ণ হয় না

যৌতুক দাবি ও গ্রহণ করা এবং যৌতুকের জন্য চাপ দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ

জন্মনিবন্ধন করতে বাবার এনআইডি বা তথ্য বাধ্যতামূলক নয়

শ্বশুর-শাশুড়ি বা অন্য কেউ স্বামীর হয়ে তালাক দিতে পারেন না

মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে পাল্টা ফৌজদারি মামলা করা যায়

গণপরিবহনে হয়রানি, যেভাবে আইনি ব্যবস্থা নেবেন

কর্মস্থলে হয়রানি: আইনগত পদক্ষেপ নেবেন যেভাবে

স্ত্রীর সম্পদ পুনরুদ্ধারে মামলা করা যায়