হোম > ল–র–ব–য–হ

১০ বছর জেল খেটেও সোনার হদিস দিলেন না গুপ্তধন অনুসন্ধানকারী, অবশেষে মুক্তি

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

১৯৯১ সালে আর্কটিক এক্সপ্লোরারের নেতৃত্বে ছিলেন টমি থম্পসন। ছবি: এপি

নিখোঁজ স্বর্ণমুদ্রার অবস্থান জানাতে অস্বীকার করায় দীর্ঘ ১০ বছর কারাভোগের পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন মার্কিন গুপ্তধন অনুসন্ধানকারী টমি থম্পসন। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, কর্তৃপক্ষ এখনো জানতে পারেনি সেই অমূল্য সোনা আসলে কোথায় লুকানো আছে।

৭৩ বছর বয়সী টমি থম্পসন প্রখ্যাত গুপ্তধন অনুসন্ধানকারী হিসেবে পরিচিত। ১৯৮৮ সালে তিনি দক্ষিণ ক্যারোলিনার কাছে ‘এসএস সেন্ট্রাল আমেরিকা’ নামে একটি ডুবে যাওয়া জাহাজের সন্ধান পান, যা ‘শিপ অব গোল্ড’ বা সোনালি জাহাজ নামে পরিচিত ছিল। ১৮৫৭ সালে জাহাজটি ৪০০ জনের বেশি যাত্রী ও প্রায় ৩০ হাজার পাউন্ড সোনা নিয়ে আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে প্রায় ৭ হাজার ফুট গভীরে তলিয়ে যায়।

থম্পসনের এই অভিযানে যাঁরা অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন, ২০০৫ সালে তাঁরা অভিযোগ করেন যে, থম্পসন তাঁদের পাওনা বুঝিয়ে না দিয়ে প্রতারণা করেছেন। এর পরপরই তিনি ফ্লোরিডায় আত্মগোপন করেন। ২০১২ সালে আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় ওহাইওর একজন ফেডারেল বিচারক তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন এবং পরে তাঁকে ‘পলাতক’ ঘোষণা করা হয়।

তিন বছর পর কর্তৃপক্ষ থম্পসনকে ফ্লোরিডার একটি হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করে। স্বর্ণমুদ্রার অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করায় বিচারক তাঁকে আদালত অবমাননার দায়ে কারাগারে পাঠান।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিখোঁজ ৫০০টি স্বর্ণমুদ্রার বাজারমূল্য প্রায় ২৫ লাখ মার্কিন ডলার। থম্পসনের দাবি, এই মুদ্রাগুলো বেলিজভিত্তিক একটি ট্রাস্টকে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রথম দফায় সোনা বিক্রি করে পাওয়া ৫ কোটি ডলারের সিংহভাগই ব্যাংকঋণ ও আইনি ফি মেটাতে ব্যয় হয়েছে বলে তিনি জানান।

সাধারণত আদালত অবমাননার জন্য সর্বোচ্চ ১৮ মাস কারাদণ্ডের বিধান থাকলেও ২০১৯ সালে আপিল আদালত থম্পসনের ক্ষেত্রে একে ব্যতিক্রম হিসেবে গণ্য করেন। ২০২০ সালে মুক্তি চেয়ে তিনি আদালতে বলেছিলেন, ‘মহামান্য আদালত, আমি ওই সোনার অবস্থান জানি না। আমার মনে হচ্ছে, আমার মুক্তির চাবিকাঠি আমার হাতে নেই।’

অবশেষে ২০১৮ সালে বিনিয়োগকারীদের করা মামলাটি খারিজ হয়ে যায়। সম্প্রতি একজন বিচারক থম্পসনের জেলজীবনের অবসান ঘটানোর সিদ্ধান্ত নেন। তিনি উপলব্ধি করেন, থম্পসনকে আরও আটকে রাখলেও সোনার হদিস পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ২০১২ সালের আদালতের কার্যক্রমে অনুপস্থিত থাকার কারণে দুই বছরের সাজা ভোগ শেষ করে ৪ মার্চ তিনি ফেডারেল কারাগার থেকে মুক্তি পান। তবে সোনা উদ্ধারের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত এই চরিত্র মুক্তি পেলেও ‘শিপ অব গোল্ড’-এর সেই অমূল্য স্বর্ণমুদ্রার রহস্য আজও উন্মোচিত হয়নি।

গর্তে পড়ে অ্যাম্বুলেন্সের ঝাঁকুনিতে প্রাণ ফিরে পেলেন ‘ব্রেন ডেড’ নারী

ওমানে উটের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় জালিয়াতি, বোটক্স-ফিলার প্রয়োগ নিয়ে তোলপাড়

রাস্তার পাশে ময়লা ফেলতে কুকুরকে প্রশিক্ষণ, সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়লেন মালিক

১০৯ বছর আগে ৩৫ হাজার রুপি ঋণ ব্রিটিশ সরকারের, উদ্ধারে আইনের দ্বারস্থ দাতার পরিবার

কফি কিনতে গিয়ে ‘বিশ্বের সবচেয়ে ধনী’ হয়ে গেলেন এই নারী!

দ্বীপে কামোন্মত্ত পুরুষদের অত্যাচারে পাহাড়চূড়া থেকে লাফ, বিলুপ্তির পথে স্ত্রী কচ্ছপ

বালিতে ভাইরাল বিকিনি চুরি, ক্ষমা চাইলেন অস্ট্রেলিয়ার মডেল

ভিডিও বানাতে গিয়ে ‘ডেভিল কাঁকড়া’ খেয়ে ফুড ভ্লগারের মৃত্যু

এক সকালে ছেলেকে জুতা পরাতে গিয়ে বুঝলেন, দৃষ্টিশক্তি হারাচ্ছেন বাবা

অলিম্পিকে বেশি সময় উড়তে ‘পুরুষাঙ্গে ইনজেকশন’ নিচ্ছেন স্কি জাম্পাররা