হোম > প্রযুক্তি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চেতনাসম্পন্ন হওয়া নিয়ে বিতর্ক

ফিচার ডেস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কি মানুষের মতো ভাবতে পারে বা এর কোনো অনুভূতি আছে? অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, প্রযুক্তিবিশ্বের বড় বড় নেতা এখন এই প্রশ্ন নিয়ে বেশ সিরিয়াস হয়ে পড়েছেন। কিছুদিন আগে এক কোডার এআইকে দিয়ে জোর করে কষ্টের কথা বলানোর পর এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠে। এরপরই এআই নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘অ্যানথ্রপিক’ ঘোষণা দেয়, তাদের চ্যাটবট ‘ক্লড’-এর সঙ্গে কেউ খারাপ বা নিষ্ঠুর আচরণ করলে চ্যাট বন্ধ করে দেওয়া হবে।

কেউ বলছেন, যন্ত্রের সঙ্গেও ভালো আচরণ করা উচিত। আবার অনেকের মতে, এগুলো সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক ও বিপজ্জনক। এআইয়ের এই ‘চেতনা ও অধিকার’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে এখন শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। গবেষকদের একটি অংশ মনে করে, এআইয়ের সম্ভাব্য চেতনা বা অনুভূতির বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। নৈতিকতার খাতিরে এর কল্যাণ নিশ্চিত করা দরকার। তবে মাইক্রোসফটের এআই প্রধান মুস্তফা সুলেমানসহ অনেকে এই ধারণার তীব্র বিরোধিতা করে সতর্ক করেছেন, এআইকে সচেতন বা অনুভূতিসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করা হলে তা মানবসভ্যতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এটি একদিকে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি এড়াতে সাহায্য করতে পারে, অন্যদিকে মানুষের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সব মিলিয়ে, এআইয়ের চেতনা ও অধিকারের এই বিতর্ক প্রযুক্তিজগতের ভবিষ্যৎ এবং মানুষের সঙ্গে যন্ত্রের সহাবস্থানকে নতুন এক জটিল মোড়ে দাঁড় করিয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

৬০ হাজার কর্মীকে ‘স্বেচ্ছায় পদত্যাগে’র সুযোগ দিচ্ছে মাইক্রোসফট

সাইবার আক্রমণের বৈশ্বিক চিত্র, কতটা সুরক্ষিত আমাদের সাইবার দুনিয়া

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ আনুন নিজের হাতে

প্রযুক্তিবিশ্বে যে উদ্যোগগুলো মুখ থুবড়ে পড়েছে

টেলিটকের ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু

পিএইচপি নিয়ে কেন এত হইচই, ইন্টারনেটে মহাবিপর্যয় যেভাবে ঠেকালেন এক স্বেচ্ছাসেবী

এআই-এর নামে ক্ষমতাবানদের সমাজ নিয়ন্ত্রণের ধান্দা: এআই গডফাদার

চলে এসেছে ইন্টারনেটে ঘ্রাণ পাঠানোর প্রযুক্তি

অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার দোহাই দিয়ে ব্যান্ড ছাড়লেন এআই গায়িকা—বিস্মিত ভক্তরা

সাইবার হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় কাজ করছে সরকারি সংস্থাগুলো