হোম > প্রযুক্তি

গণনা জগতে আজও উজ্জ্বল শকুন্তলা

ফিচার ডেস্ক

শকুন্তলা দেবী।

গণনা করার অসাধারণ ক্ষমতার কারণে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন শকুন্তলা দেবী। তিনি পরিচিতি লাভ করেন ‘মানব কম্পিউটার’ নামে। বিস্ময়কর প্রতিভার জন্য ১৯৮২ সালে ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস’-এ অন্তর্ভুক্ত হয় তাঁর নাম। গণনা করার বিশেষ ক্ষমতার পাশাপাশি গাণিতিক বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা ও জ্যোতির্বিদ্যা নিয়েও যথেষ্ট ধারণা ছিল শকুন্তলার।

১৯২৯ সালের ৪ নভেম্বর, বেঙ্গালুরুর একটি ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শকুন্তলা দেবী। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই জটিল অঙ্ক কষে ফেলতেন তিনি। একসময় শকুন্তলার প্রতিভা কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন জায়গায় রোড শো করতেন তাঁর বাবা। ১৯৪৪ সালে তাঁর বাবার সঙ্গে লন্ডনে চলে যান তিনি। সেখানেই তিনি এই প্রথম নিজের বুদ্ধিমত্তা প্রদর্শন করেন। এরপর থেকে শুরু হয় বিশ্বজুড়ে তাঁর খ্যাতি অর্জনের সফর। ১৯৭৭ সালে সাউদার্ন মেথডিস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১ অঙ্কের একটি সংখ্যার ২৩তম বর্গমূল মাত্র ৫০ সেকেন্ডে বের করে সবাইকে বিস্মিত করে দেন শকুন্তলা।

শকুন্তলা দেবীর লেখা বইগুলোর মধ্যে ছয়টি পরবর্তী প্রজন্মকে গণিত বিষয়ে পড়াশোনায় উদ্বুদ্ধ করে। ‘মানব কম্পিউটার’ উপাধি মোটেও পছন্দ করতেন না শকুন্তলা দেবী। তাঁর মতে, মানুষের মস্তিষ্কের শক্তি-সামর্থ্য ও দক্ষতা কম্পিউটারের চেয়ে অনেক বেশি। কম্পিউটার ও মানুষের মস্তিষ্কের তুলনা যৌক্তিক নয়। ২০১৩ সালের এই দিনে শকুন্তলা দেবী বেঙ্গালুরুতে মৃত্যুবরণ করেন।

২৯ কোটি টাকার বকেয়া আয়কর একসঙ্গে পরিশোধ করল বিএসসিএল

আইপ্যাড ও ম্যাকবুকের দাম বাড়াল অ্যাপল

মাত্র ১২ দিনেই ট্রিলিয়নেয়ার খেতাব হারালেন ইলন মাস্ক

মানুষের মতো নারী-পুরুষে বৈষম্য করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও: জাতিসংঘ

কে এই কুনাল শাহ, কেন দর্শনের ছাত্রকে হোয়াটসঅ্যাপের দায়িত্ব দিল মেটা

নজরদারিতে ফুটবলপ্রেমীরা!

মেপে দেখুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মগজে আপনার গুরুত্ব কতটুকু

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা কেন কমিয়ে দিচ্ছে মানুষ

আইফোনের হার্ডওয়্যারে ত্রুটি, ঝুঁকিতে ব্যবহারকারীরা

লিথিয়ামের বিকল্প হতে পারে চীনের নতুন সোডিয়াম-আয়ন ব্যাটারি